ads

মঙ্গলবার , ১১ মার্চ ২০১৪ | ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

বন্দুক ছেড়ে আলোচনায় আসুন : খালেদা জিয়া

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মার্চ ১১, ২০১৪ ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ

Khaleda-শ্যামলবাংলা ডেস্ক : বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আওয়ামী লীগকে ‘জোর’ করে ক্ষমতা ধরে রাখার পথ থেকে সরে আলোচনায় আসার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বন্দুক ছেড়ে আলোচনায় বসুন। যদি মনে করেন, বন্দুক দিয়ে মানুষ মেরে ক্ষমতায় থাকবেন, তার ফলাফল খারাপ হবে। তিনি ১০ মার্চ সোমবার রাতে গুলশানে নিজের কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যে ওই কথা বলেন। এসময় তিনি সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, ভয় দেখিয়ে কাজ হবে না। জনগণ নির্দলীয সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়। সরকারকে বলব, হয় নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা ছাড়তে হবে, নইলে আন্দোলন হবে। তিনি বলেন, ৫ জানুয়ারি মানুষ তাদের ভোট দেয়নি। আপনারা যদি এভাবে ক্ষমতা দখল করে থাকেন, জনগণ রাস্তায় নামতে বাধ্য হবে। এ থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হচ্ছে নির্বাচন, নইলে আন্দোলন। কেবল দেশের মানুষ নয়, সারাবিশ্বও বাংলাদেশে সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচনের কথা বলে আসছে।

Shamol Bangla Ads

সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী নেতা-কর্মীদের হত্যা-গুম-নির্যাতনের মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ করেন বিএনপি চেয়ারপারসন।
জাতীয় কৃষক পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও ঠাকুরগাঁও জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক সুলতানুল ফেরদৌস নম্র চৌধুরীর নেতৃত্বে দলটির অর্ধ শতাধিক নেতা-কর্মীর বিএনপিতে যোগদান উপলক্ষে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন খালেদা। নবাগতদের অভিনন্দন জানিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আপনারা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে উপজেলা নির্বাচনে দলের একক প্রার্থীদের বিজয়ে কাজ করুন।
আগামী ৩১ মার্চ উপজেলা নির্বাচন শেষ হলে জেলা সফরে বেরুনোর ঘোষণা করে তিনি বলেন,আমি এবার ঠাকুরগাঁও সফর করব। সেখানে জনসভা করব। আমি এভাবে সারাদেশের জেলাগুলোতে যাব।
সুলতানুল ফেরদৌস বিএনপিতে যোগ দেয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে অনুষ্ঠানে বলেন, আমি ১৯ বছর জাতীয় পার্টি করছি। যে দলের কোন কর্মসূচি নেই, যে দলের নেতা সকালে এক কথা বিকালে অন্য কথা বলে, তা নিয়ে জনগণের কাছে জবাব দিতে পারি না। সেজন্য এই রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে দেশকে মুক্ত করতে আমি বিএনপিতে যোগ দেয়াটা অতি প্রয়োজন মনে করেছি। সুলতানুল ফেরদৌস বর্তমানে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। তার বাবা রেজাউল হক ইদু চৌধুরী এরশাদ সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। প্রখ্যাত রাজনীতিক হাজী মো. দানেশ তার দাদা। যোগদান অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ঠাকুরগাঁওয়ের বাসিন্দা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল হামিদ, যোগদানকারী নেতা মকবুল হোসেন বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থানীয় নেতাদের মধ্যে ছিলেন শরিফুল ইসলাম, কামাল আনোয়ার আহমেদ, নুরে সাহাদাত সজন, পয়গম আলী, আবু তাহের, মুরাদ হোসেন, সৈয়দ মমিনুল হক, মতিউর রহমান মতি প্রমুখ।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!