স্টাফ রিপোর্টার : শেরপুরের সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলার গজনী গ্রামকে ‘বন্ধু চুলা গ্রাম’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এ উপলক্ষে ২৮ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার গজনী অবকাশ মুক্ত মঞ্চে এক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রইছ উল আলম মন্ডল, বন্ধু চুলা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক কাজী সারওয়ার ইমতিয়াজ হাশমী, প্রকল্প ব্যবস্থাপক ড. ইঞ্জিনীয়ার খালেকুজ্জামান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেরপুরের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর রাজীব কুমার সরকার। এর আগে অতিথিরা বড় গজনী এলাকায় বন্ধু চুলা গ্রামের নামফলক উন্মোচন করেন। এ উপলক্ষে এক বর্নাঢ্য র্যালি ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়।

আর্থিক ও জ্বালানী সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব ও কালি-ধোয়া মুক্ত হওয়ায় গজনী এলাকার অধিবাসীদের মধ্যে বন্ধু চুলার চাহিদা ও জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে। গজনী গ্রামের ২শ ২৯ টি পরিবারের সবাই বন্ধু চুলা ব্যবহার করায় পরিবেশ অধিদপ্তর গজনীকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বন্ধু চুলা গ্রাম’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
বন্ধু চুলা বাজার উদ্যোগ বাস্তবায়নকারী জিআইজেড-এর শেরপুর অঞ্চলের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক সুশীল সরকার বলেন, প্রতিটি বন্ধু চুলা একমুখী ৫শ থেকে ৬শ টাকা এবং দুই মুখী ৮শ ৫০ থেকে ৯শ টাকায় বিক্রী করা হয়। এটি সিমেন্ট, বালি খোয়া দিয়ে তৈরী হওয়ায় একেকটি চুলার স্থায়িত্বকাল প্রায় ৫ বছর হয়ে থাকে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রইছ উল আলম মন্ডল বলেন, এটি আমাদের দেশের জন্য খুবই লাগসই একটি প্রযুক্তি। জলবায়ুর পরিবর্তিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় সারাদেশে বন্ধু চুলা ব্যবহারে সচেতনতা সৃষ্টির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর ফলে আমাদের জ্বালানী সম্পদ যেমন রক্ষা পাবে তেমনি দেশের মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষাও সহজ হবে।




