ads

সোমবার , ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ | ২৮শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ওয়ানডেতেও হতাশার হার টাইগারদের

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৪ ৯:৫৬ অপরাহ্ণ

CRICKET-BAN-SRIশ্যামলবাংলা স্পোর্টস : শ্রীলংকার সাথে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে অল্প রানে অলআউট করার সুযোগ হাতছাড়া করার পর মোটামুটি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আবারও হতাশার হার হারল বাংলাদেশ। সফরকারীদের কাছে এবারের হার ১৩ রানে। এই জয়ে ৩ ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল শ্রীলঙ্কা।

Shamol Bangla Ads

বৃষ্টির কারণে আউটফিল্ড ভেজা থাকায় শ্যাচ শুরু হয় দেরিতে। আর এতে ৪৩ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৩ ওভার বাকি থাকতে ১৮০ রানে অলআউট হয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। অবশ্য বেশ কয়েকটি ক্যাচ হাতছাড়া করে শ্রীলঙ্কাকে লড়াই করার মতো সংগ্রহ গড়ার সুযোগ করে দেয় বাংলাদেশের ফিল্ডাররাই।
জবাবে ৩৯ ওভার ২ বলে ১৬৭ রানে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। ২ উইকেটে ১১৪ রানের দৃঢ় অবস্থানে পৌঁছে যাওয়ার পর সহজ ম্যাচটা কঠিন করেছেন স্বাগতিক ব্যাটসম্যানরাই। এ সময় ৮ উইকেটে ৬৭ রান প্রয়োজন ছিল বাংলাদেশের।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে লাসিথ মালিঙ্গার বলে দ্বিতীয় স্লিপে সচিত্রা সেনানায়েকের হাতে ক্যাচ দিয়েছিলেন এনামুল হক। তিনি সুযোগ হাতছাড়া করলেও অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস করেননি। ঝাঁপিয়ে পড়ে বল তালুবন্দী করে বিদায় করেন এনামুলকে। মুমিনুল হকের (৪৪) সঙ্গে ৭৯ ও মুশফিকের সঙ্গে ৩৫ রানের দুটি জুটি গড়ে দলকে স্বস্তিকর জায়গায় নিয়ে এসেছিলেন শামসুর রহমান। অর্ধশতকে পৌঁছানোর পর শামসুর রহমানের দুর্ভাগ্যজনক রান-আউট দিয়ে স্বাগতিকদের ইনিংসে ধসের সূচনা। এরপর স্কোর বোর্ডে ১৯ রান যোগ করতে বিদায় নেন স্বাগতিকদের ৩ ব্যাটিং ভরসা সাকিব আল হাসান, নাসির হোসেন ও মাহমুদুল­াহ রিয়াদ। এসেই মেরে খেলার চেষ্টা করা সোহাগ গাজীর দ্রুত বিদায় দলের বিপদে আরো বাড়ায়। দেখেশুনে খেলার চেষ্টা করলেও বেশিক্ষণ টিকেননি আরাফাত সানি। অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসেবে তার বিদায়ের সময় জয় থেকে ২০ রানে দূরে বাংলাদেশ। ব্যাটিং পাওয়ার প্লেতে ঝুঁকিপূর্ণ শট খেলতে গিয়ে মুশফিকের বিদায়ে পর জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের। রুবেল হোসেনের রান-আউট দিয়ে অতিথিদের বিপক্ষে চলতি সিরিজে তৃতীয়বারের মতো হতাশায় পুড়তে হয় বাংলাদেশকে। ২১ রানে ৩ উইকেট নিয়ে শ্রীলঙ্কার সেরা বোলার অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস।
অথচ এর আগে বাংলাদেশকে চমৎকার শুরু এনে দিয়েছিলেন রুবেল। চতুর্থ ওভারে তার বলে পুল করতে গিয়ে মিডউইকেটে মুশফিকের সহজ ক্যাচে পরিণত হন তিলকরতেœ দিলশান। পরের ওভারে কৌশল পেরেরাকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন এই ডানহাতি পেসার। একাদশ ওভারে বিপজ্জনক কুমার সাঙ্গাকারাকে বিদায় করেন অভিষিক্ত আল-আমিন হোসেন। মিডঅনের ওপর দিয়ে তুলে মারতে গিয়ে সানির ক্যাচে পরিণত হন তিনি। পরের ওভারে আশান প্রিয়ঞ্জনকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন সাকিব। ধাক্কা সামলে উঠার আগেই ১৫তম ওভারে সাকিবের দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে রান-আউট হয়ে বিদায় নেন দীনেশ চান্দিমাল। এরপর টানা দুই ওভারে ম্যাথিউস ও নুয়ান কুলাসেকারাকে বোল্ড করেন সানি। আর কিথুরুয়ান ভিথানাগের রান-আউটে শ্রীলঙ্কার স্কোর পরিণত হয় ৬৭/৮-এ। একশ’র নিচে অতিথিদের বেধে রাখার সম্ভাবনা জাগলেও সেই সুযোগ হাতছাড়া হয়ে গেছে ফিল্ডারদের ব্যর্থতায়। বাংলাদেশি ফিল্ডাররা যেন ক্যাচ মিসের মহড়ায় নেমেছিলেন। নবম উইকেটে ৮২ রানের জুটি গড়ার পথে ৪ বার জীবন পেয়েছেন থিসারা পেরেরা ও সেনানায়েকে।
ব্যক্তিগত ৮ রানে সোহাগের হাতে জীবন পান থিসারা। সানির বলে সীমানা দড়ির কাছে সহজ সেই সুযোগটি হাতছাড়া করে ছক্কায় পরিণত করেন সোহাগ। সানির পরের দুটি বলেও ছক্কা হাঁকান এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ৩০ রানে আবার জীবন পান থিসারা। সোহাগের বলে লংঅনে নাসিরের হাতে ক্যাচ দিয়েছিলেন তিনি। লাফিয়েও বলটি তালুবন্দী করতে পারেননি বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ফিল্ডার। সেটিও পরিণত হয় ছক্কায়। সোহাগের বলে ব্যক্তিগত ৫ রানে স্লিপে মাহমুদুল্লাহর হাতে জীবন পান সেনানায়েকে। রুবেলের বলে ব্যক্তিগত ২২ রানে আবার জীবন পান তিনি। রুবেল হোসেনের বল পুল করতে গিয়ে টাইমিংয়ে গড়বড় করে ক্যাচ তুলে দিলেও ঝাঁপিয়ে পড়েও তা তালুবন্দী করতে পারেননি সাকিব। বিপজ্জনক হয়ে উঠা নবম উইকেট জুটি ভাঙ্গার কৃতিত্ব সাকিবের। ৪৮ বলে ২টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৩০ রান করা সেনানায়েকে বোল্ড করে ১৪ ওভার স্থায়ী জুটি ভাঙ্গেন তিনি। এগারো নম্বর ব্যাটসম্যান লাসিথ মালিঙ্গার সঙ্গে শেষ উইকেটে আরো ৩১ রান যোগ করে দলকে দুশ’ রানের কাছাকাছি নিয়ে যান থিসারা। ৭৮ রানে সাকিবের হাতে তৃতীয়বার জীবন পাওয়া এই ব্যাটসম্যান অপরাজিত থাকেন ৮০ রানে। তার ৫৭ বলের ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ৬টি ছক্কা। ওয়ানডেতে এটি তার সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। বাংলাদেশের পক্ষে সাকিব, সানি ও রুবেল দুটি করে উইকেট নেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :

Shamol Bangla Ads

শ্রীলঙ্কা: ৪০ ওভারে ১৮০ (কৌশল ২০, দিলশান ৩, সাঙ্গাকারা ৮, চান্দিমাল ১৩, প্রিয়াঞ্জন ৬, ম্যাথিউস ৩, ভিথানাগে ৭, কুলাসেকারা ০*, থিসারা ৮০*, সেনানায়েকে ৩০, মালিঙ্গা ০; সাকিব ২/২৯, সানি ২/৩১, রুবেল ২/৩৭, সোহাগ ১/২২, আল-আমিন ১/৩৪)

বাংলাদেশ : ৩৯.২ ওভারে ১৬৭ (এনামুল ০, শামসুর ৬২, মুমিনুল ৪৪, মুশফিক ২৭, সাকিব ৩, নাসির ৮, মাহমুদুল্লাহ ০, সোহাগ ৬, সানি ৫, রুবেল ৪, আল-আমিন ২*; ম্যাথিউস ৩/২১, সেনানায়েকে ২/৩৩, থিসারা ১/৩৫, মালিঙ্গা ১/৩৭)

ম্যান অব দি ম্যাচ : থিসারা পেরেরা।

Need Ads
error: কপি হবে না!