কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ায় শিশুদের মধ্যে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বাড়ছে। এর মধ্যে নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্তের হারই বেশি। গত এক সপ্তাহে হাসপাতালে সাড়ে তিনশ’ শিশু ভর্তি হয়েছে। ঠান্ডা আবহাওয়া ও উদাসীনতার কারণে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুর সংখ্য বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা অভিমত দিয়েছেন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে দায়িত্বরত সেবিকা মর্জিনা খাতুন জানান, প্রচন্ড ঠান্ডার কারণে শিশুরা রোটা ভাইরাসের সংক্রমণে ডায়রিয়ায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। পাশাপাশি শ্বাসকষ্ট বেড়ে গিয়ে নিউমোনিয়ায়ও
আক্রান্ত হচ্ছে। প্রতিদিনই এসব রোগে হাসপাতালে শিশু ভর্তি হচ্ছে। এ ছাড়াও প্রায় শতাধিক শিশু প্রতিদিন হাসপাতালের আউটডোর ও বিভিন্ন প্রাইভেট চেম্বারে চিকিৎসা নিচ্ছে বলেও তারা জানান। দেখা যায়, শয্যার অপ্রতুলতা থাকায় অধিকাংশ রোগীকে হাসপাতাল ওয়ার্ডের বাইরে মেঝে ও বারান্দায় রাখা হয়েছে। ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের কেউ মারা না গেলেও অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। শিশুদের অভিভাবকরা জানান, প্রচন্ড ঠান্ডায় ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। হাসপাতালে সিট কম থাকায় শিশু রোগী নিয়ে মেঝেতে থাকতে বাধ্য হচ্ছে তারা। শিশু বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ড. জমির উদ্দিন জানান, প্রচন্ড শীতের কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকার প্রচুর সংখ্যক শিশু ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়েছে।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় বাড়ি-ঘর ভাংচুর ও লুট : আহত ২
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে শিশুদের খেলা-ধুলাকে কেন্দ্র্রকরে প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা চালিয়ে বাড়ি-ঘর ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাটের তান্ডলীলা চালিয়েছে। এঘটনায় ২জন আহত হয়েছে। ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় আহত পরিবারের লোকজন দৌলতপুর থানায় মামলা দিতে গেলে থানার ওসি মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। হামলা ও ভাংচুরের শিকার আকবর আলীর অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার প্রাগপুর ইউপি’র মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া গ্রামের দুই পরিবারের শিশুদের মধ্যে খেলা-ধুলা নিয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে বজলুর রহমান, নজরুল ইসলাম, ফজলুর রহমান, রেজাউল ইসলাম, মানিক, মনিরুল, সেন্টু, পিন্টু, শহিদুল ও রসিসহ ১৫/১৬জন প্রতিপক্ষের লোকজন সশস্ত্র অবস্থায় আকবর আলীর বাড়িতে হামলায় চালায়। এসময় তারা বাড়ি-ঘর ভাংচুর, ইটপাটকেল নিপে ও লুটপাটের তান্ডলীলা চালালে ভয়ে আতংকে বাড়ির লোকজন পালিয়ে যায়। হামলাকারীদের বাঁধা দিতে গিয়ে আকবর আলী (৪০) ও তার চাচা নিজারুল ইসলাম (৩২) আহত হয়। তারা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছে। এঘটনায় আকবর আলী শনিবার সকালে দৌলতপুর থানায় মামলা দিতে গেলে থানার ওসি বেলায়েত হোসেন মামলা নেয়নি। তবে ওসি বেলায়তে হোসেন জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন।




