ইয়ানুর রহমান : যশোরের বিভিন্ন উপজেলায় অভিযান চালিয়ে পৌর মেয়রসহ জামায়াত-বিএনপির ৮৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনীর সদস্যরা। সোমবার রাতে যশোরের মনিরামপুর থানা বিএনপির সভাপতি ও পৌর মেয়র
এ্যাড. শহীদ মোহাম্মাদ ইকবাল হোসেনসহ ১৮ দলীয় জোটের ৭১জনকে, সদর উপজেলা থেকে সাতজন এবং অভয়নগর-চৌগাছা থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। যশোরের মনিরামপুর থেকে আটকৃতদের মধ্যে ১জন ইউপি সদস্য, ১জন শিক্ষক ও ৫জন স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থী রয়েছে।
এ অভিযানে গ্রেফতারের হাত থেকে রক্ষা পায়নি নবম শ্রেনীর ছাত্র রাজু হোসেন (১৪), জাকির হোসেন (১৪), দশম শ্রেনীর ছাত্র আফজাল হোসেন (১৫), এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থী রিপন হোসেনও।
আটককৃত অন্যরা হচ্ছে শরিফুল ইসলাম (২২), নাফিজ ফারহান (১৫), শামিম হোসেন (৩৮), তানভীর হাসান (৩২), আসাদুজ্জামান (৩০), ওবায়দুর রহমান (৪০), প্রসেন মন্ডল (২৭), সাজ্জাত রহমান (৪৬), সারউদ্দীন (৪০), নুর ইসলাম (৩৮), আবু কালাম (৩৫), ইসমাইল বিশ্বাস (৫০), হোসেন আলী সরদার (৫৫), আশিকুর রহমান (১৫), মোতাহের হোসেন (২৩), শকির হোসেন, আব্দুল জলিল (৩০), মোশারফ (৪৫), কুদ্দুস মোলা (৫০), কামরুল গাজী (৩৬), হযরত আলী (৩৪), তোফাজ্জেল (৪০), সোহরাব হোসেন (৫৫), আসলাম ফকির (৩৫), আইয়ুব আলী (২৫), সাইফুল (২৮), করিম মোলা, মেহেদী হাসান, গফুর মোলা (৫৪), ফারুক হোসেন (৩৪), আসাদুজ্জামান (২৫), আব্দুর রহমান, রবিউল ইসলাম (২৫), আলী আকবার (৪৫), রাসেল (২৮), আবু হোসেন মোলা, হাফিজুর রহমান (২৮), মনোয়ার হোসেন (৫০), আজিজুর রহমান (৩৪), আব্দুল ওহাব (৫৫), খালেক (৫০), সুবহান (৪০), মামুনুজ্জামান (৩৫), কাওছার (৬০), রাজ্জাক (৫০), মনিরুল (৪০), বদিউজ্জামান (৩৩), সাদেক আলী (৪৫), আফিল উদ্দীন (২৫), শফিকুল ইসলাম (৩৬), জাহিদ (২৭), সুবহান হোসেন (১৯), মনিরুল (১‘৮), বিলাল সরদার (২৩), আব্দুল মালেক (৫০), মিজানুর (৪২), জাকির হোসেন (২২), লিটন হোসেন (২২), কেরামত (৪৫), আবুল বাশার, শিবলী সাদেক (২৫), হাবিবুর রহমান (৩৫) ও জাকির হোসেন।
নির্বাচন কেন্দ্রে বোমা হামলা, ব্যালট ছিনতাই, পুলিশের উপর আক্রমণসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে বলে মনিরামপুর থানা ইনচার্জ (ওসি) মীর রেজাউল হোসেন জানিয়েছেন। আটককৃতরা সবই বিএনপি ও জামায়াত শিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।
থানা সুত্রে জানা যায় মঙ্গলবার দুপুরে মেয়র শহীদ ইকবাল হোসেনকে শহরের তার বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
মনিরামপুর থানা ইনচার্জ (ওসি)মীর রেজাউল হোসেন রেজা জানান, মেয়র শহীদ ইকবালকে বিভিন্ন ঘটনার উষ্কানি দেওয়ার অভিযোগে আটক করা হয়।




