ads

সোমবার , ৩০ ডিসেম্বর ২০১৩ | ২৩শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

কালীগঞ্জে মসলিন কটন মিলের শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ শুরু

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
ডিসেম্বর ৩০, ২০১৩ ১:৫০ অপরাহ্ণ

Picture M.C.M 27.12.13কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি  : এক সময়ের এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ কটন মিল গাজীপুরের কালীগঞ্জে অবস্থিত। দীর্ঘ দুই যুগ বন্ধ থাকার পর শ্রমিকদের বকেয়া টাকা পরিশোধ শুরু হয়েছে।
শুক্রবার মসলিন কটন মিলস উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে আনুষ্ঠানিকভাবে মিলের শ্রমিক, কর্মচারী-কর্মকর্তাদের গ্র্যাচুইটি ফান্ডের জমাকৃত অর্থ অনুযায়ী চেক তাদের হাতে তুলে দেয়া হয়। কর্মচারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন খন্দকারের সভাপতিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব সাইফুদ্দিন আহমেদ মজুমদার। উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক এবিএম তারিকুল ইসলামের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুল আহ্সান তালুকদার, হা-মীম গ্রæপের কনসাল্টেন্ড মাহফুজুল হক। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- রিকুডেটরসেলে জিএম আবুল কালাম, জনসংযোগ কর্মকর্তা সাইদুর রহমান, উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গনি ভূইয়া, শ্রমিক নেতা বেলায়েত হোসেন, আব্দুল হান্নান প্রমূখ। জানা যায, প্রথম দফায় মসলিন কটন মিলের ৩৪২ জন শ্রমিক, কর্মচারী-কর্মকর্তাদের গ্র্যাচুইটি ফান্ডের চেক এর মাধ্যমে তাদের বকেয়া পরিশোধ করলেও পরে দফায় দফায় অবশিষ্ট শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ করা হবে।
উল্লেখ্য, গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জের মসলিন কটন মিলটি যথাযোগ্য পৃষ্ঠপোষকতা ও ব্যবস্থাপনার অভাবে একবারে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়ায়। এ মিলটি বন্ধ হয়ে যাওয়াতে কিছু স্বার্থান্বেষী লোক লাভবান হলেও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বিপুলসংখ্যক জনগোষ্ঠীর। চাকরি হারিয়ে তিন হাজারেরও বেশি শ্রমিক কর্মচারী অর্ধাহারে-অনাহারে মানবেতর জীবন চালিয়ে গেছে। কিন্তু চলতি বছরের ৩ আগষ্ট আনুষ্ঠানিক ভাবে হা-মীম গ্রুপের পক্ষে মেসার্স রিফাত গার্মেন্টসের সত্তাধিকারী ও এফবিসিসিআই সাবেক সভাপতি একে আজাদ মিলটি সরকারের কাছ থেকে ক্রয় করে নেন।

Need Ads
error: কপি হবে না!