ads

বুধবার , ২৫ ডিসেম্বর ২০১৩ | ২০শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

বরগুনা – ১ আসন : দেলোয়ারের দ্বিগুণ শম্ভুর আয় বেড়েছে ১২ গুণ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
ডিসেম্বর ২৫, ২০১৩ ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
বরগুনা – ১ আসন : দেলোয়ারের দ্বিগুণ  শম্ভুর আয় বেড়েছে ১২ গুণ

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি : আসন্ন দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-১ (বরগুনা সদর-আমতলী-তালতলী) আসনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হচ্ছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য মো. দেলোয়ার হোসেন এবং বিএনএফ মনোনীত প্রার্থী  খলিলুর রহমান খান।
হলফনামার তথ্যানুযায়ী, গত ৫ বছরে ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর বার্ষিক আয় বেড়েছে প্রায় ১২ গুণ। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আইন পেশা থেকে বার্ষিক আয় দেখিয়েছিলেন ২ লাখ ১০ হাজার টাকা। ২০১৩ সালে আইন ও পরামর্শক পেশা থেকে দেখিয়েছেন ২০ লাখ ৬০ হাজার টাকা, শেয়ার ও সঞ্চয় থেকে ৯১ হাজার ৮৩৬ টাকা এবং সংসদ সদস্য হিসেবে ভাতা ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা। মোট বার্ষিক আয় ২৪ লাখ ৮১ হাজার ৮৩৬ টাকা।
২০১৩ সালে নগদ আছে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, ব্যাংকে ২০ লাখ ৯৫ হাজার ৪৭৩ টাকা, এফডিআর ৬ লাখ টাকা। ২০০৮ সালে কোনো গাড়ি ছিল না। ২০১৩ সালে নিজ নামে দুটি গাড়ি দেখানো হয়েছে। ২০০৮ সালে কোনো দায়-দেনা এবং ঋণ কিছুই ছিল না। ২০১৩ সালে ব্যাংক ঋণ দেখানো হয়েছে ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৩৭১ টাকা।
অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. দেলোয়ার হোসেনের বার্ষিক আয় বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। তিনি ২০০৮ সালে ভুসি মালের ব্যবসা থেকে বার্ষিক আয় দেখিয়েছিলেন ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। ২০১৩ সালে মাছের খামার ও বিবিধ উৎস থেকে বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৩ লাখ ১৮ হাজার, কৃষি খাত থেকে ৮ হাজার এবং মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা ২৪ হাজার টাকা। মোট ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ২০১৩ সালে নগদ টাকা ১ লাখ ৫৮ হাজার ৮৮১ এবং ব্যাংকে জমা ৫৬ হাজার ১১৯ টাকা।
কৃষি জমি (পৈতৃক) ৫০ শতাংশ এবং অকৃষি জমি ৩০ শতাংশ। বাড়ি দেখানো হয়েছে ২টি। ২০০৮ সালে স্ত্রীর নামে কৃষি জমি ৯০ শতাংশ এবং অকৃষি জমি ছিল ১ দশমিক ৮০ একর। ২০১৩ সালে স্ত্রীর নামে কোনো সম্পত্তি নেই।

Need Ads
error: কপি হবে না!