এস.এম জামাল, কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক সৈয়দ বেলাল হোসেন বলেছেন, ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রজা সেবা দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে। এসব বিষয়ে কোন অনিয়ম মেনে নেয়া হবে না। ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঘুষ দাবি ও হয়রানির কারণে জেলার ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) দিতে আসা জমির মালিকরা যাতে আগ্রহ না হারান সেদিকে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। জেলার রাজস্ব বাড়াতে সরকারী বে-সরকারীসহ ব্যক্তি মালিকানধীন সকল প্রজার অনাদায়ী ভূমি উন্নয়ন কর আদায় ও ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) দিতে আসা প্রজাদের কোন ভাবেই হয়রানী করা যাবে না। ২২ ডিসেম্বর রবিবার সকালে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে জেলা রাজস্ব কমিটির মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, বছরের পর বছর খাজনা অনাদায়ী থাকায় সরকার বিপুল অঙ্কের রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে। যে সকল ‘ভূমি অফিসে ভূমি উন্নয়ন কর খাজনা দিতে আসা মানুষ হয়রানির শিকার হবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সব কিছু নিয়মতান্ত্রিক ভাবে পরিচালিত করতে হবে। জেলার প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলো থেকে দালাল মুক্ত করা হবে। নামজারী মামলায় সরকারী নির্ধারিত ফি বাদে অতিরিক্ত টাকা নিলেই প্রত্যেক ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। জেলার রাজস্ব বাড়াতে সরকারী বে-সরকারীসহ ব্যক্তি মালিকানধীন সকল প্রজার অনাদায়ী ভূমি উন্নয়ন কর আদায় আরো বেশি সক্রিয় হতে হবে। ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) দিতে আসা প্রজা হয়রানী বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিগত মাসের প্রতিবেদন তুলে ধরে তাকে সার্বিক সহযোগিতা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) মখলেছুর রহমান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আরডিসি শিহাব রায়হান, কুষ্টিয়া জেলা জজশীপের জিপি এ্যাড.ছানোয়ার হোসেন ও ভিপি এ্যাড.জিহাদুল ইসলাম। সভায় এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা খাতুন, এসিল্যান্ড উত্তম কুমার রায়, দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোকতার হোসেন, মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজাদ জাহান লেলিন, কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাহেলা পারভীন, কুমারখালী উপজেলা এসিল্যান্ড জাহাঙ্গীর আলম, খোকসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হেনা মোস্তফা কামাল প্রমুখ।




