ইয়ানুর রহমান (যশোর) : যশোরে জামায়াত শিবির ক্যাডাররা এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে তার চার হাত পায়ের রগ কেটে গিয়েছে। মুমুর্ষূ অবস্থায় তাকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হামলার শিকার নাজমুল ইসলাম (২৫) যশোর সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ও সিরাজসিংহা গ্রামের আবু গাজীর ছেলে। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে যশোর-মনিরামপুর সড়কের কুয়াদা বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, যুবলীগ নেতা নাজমুল বুধবার সকালে কয়েকজন সমর্থক নিয়ে কুয়াদা বাজারে বসেছিলেন। এ সময় জামায়াত শিবিরের একদল ক্যাডার সেখানে হানা দেয়।
নাজমুলকে ধাওয়া করে বোমা হামলা চালালে তিনি পড়ে যান। এরপর ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে, উপর্যুপরি কুপিয়ে ও চার হাত পায়ের রগ কেটে তাকে ফেলে রেখে যায় ক্যাডাররা।
ক্যাডাররা চলে যাওয়ার পর স্থানীয় লোকজন পাশের মনোয়ারা ক্লিনিকে তাকে নিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ মনোয়ারা ক্লিনিক থেকে নাজমুলকে উদ্ধার করে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
ঘটনাস্থলে নাজমুলের সঙ্গে থাকা সিরাজসিংহা গ্রামের আবু বক্কার সিদ্দিকী বরাত জানান, ক্যাডাররা ধাওয়া করলে তারা দৌড় দেন। তিনি একটি মিলের মধ্যে ঢুকে প্রাণ বাঁচান। কিন্তু বোমার আঘাতে নাজমুল পড়ে গেলে তাকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায় ক্যাডাররা।
রামনগর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পলাশ বিশ্বাস জানান, অবরোধ সমর্থক জামায়াত শিবিরের ক্যাডাররা নাজমুলের ওপর হামলা চালিয়ে তার হাত পায়ের রগ কেটে দিয়েছে, মাথা থেঁতলে দিয়েছে।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই জামাল জানান, নাজমুলকে উপর্যুপরি কুপিয়ে জখম করায় তার চার হাত পায়ের রগ কেটে গেছে।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি এমদাদুল হক জানান, নাজমুলকে পুলিশ উদ্ধার করে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।




