তাপস চন্দ্র সরকার, চট্টগ্রাম : কুমিলায় শিশু পাচার মামলায় ৩জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ প্রদান করেন কুমিলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত। ২৮ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় ওই দন্ডাদেশ প্রদান করেন কুমিলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল (জেলা ও দায়রা জজ) এর বিচারক বেগম জেসমিন আরা বেগম। যাহার নারী ও শিশু মামলা নং-২৫১/২০০৪।
এজাহার সূত্রে জানা যায়- ২০০৪ সনের ৩০জুন রাত সাড়ে ১১টার সময় কুমিলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বদর টিলা নামক স্থানে এস.আই আমির হোসেন, সিপাহী মোঃ জামাল উদ্দিন ও মোঃ গোলাম মোস্তফা চোরা চালান দমনে টহল ডিউটি করার সময় “সাহেব টিলা” নামক স্থানে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থেকে বিভিন্ন জেলা হতে ৩জন শিশুকে ভারতে পাচার করার সময় ৩জনকে আটক করে। এ ব্যাপারে ২০০৪ সনের ১লা জুলাই নায়েব আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে ১জুলাই চৌদ্দগ্রাম থানার এজাহার দায়ের করেন। যাহার নং-৩। পরবর্তীতে ২০০৪ সনের ৩ অক্টোবর তদন্তকারী কর্মকর্তা ৩জনের নাম উলেখ্য পূর্বক তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করেন। অতঃপর মামলা বিচারের আসিলে এ মামলায় রাষ্ট্র পক্ষে ১১জনের স্বাক্ষ্য প্রদান শেষে যুক্তিতর্ক শুনানী অন্তে আসামী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও মোঃ মামুন এবং পলাতক আসামী মোঃ জাকির হোসেন এর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (২০০৩সনের সংশোধনীসহ) ৬ (১) ধারার অপরাধ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাঁদেরকে দোষী সাব্যস্থ ক্রমে যাবজ্জীবন করাদন্ড ও প্রত্যেককে ৫০হাজার টাকা করে অর্থদন্ড প্রদান করেন। অন্যথায় আরো ১ বৎসর সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন আদালত।
সাজা প্রাপ্ত আসামীরা হলেন- কুমিলা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামের মোঃ ছৈয়দ আলী’র ছেলে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (২৬), ঢাকার লালবাগ থানাধীন লালবাগ কামরাঙ্গীর চর মধ্যম ইসলাম নগর এর মোঃ আক্কাছ আলী’র ছেলে মোঃ জাকির হোসেন (২২) ও ঢাকার কল্যাণপুর এলাকার মোঃ আলতাফ হোসেন এর ছেলে মোঃ মামুন (২২)।
উদ্ধারকৃত শিশুরা হলেন- গাজীপুর জেলার টংগী থানার মুরকুল গ্রামের মোঃ শফিকুল ইসলাম (সকু)’র ছেলে মোঃ সাগর (১৪), ফদিরপুর আটঘর গ্রামের আঃ ছাত্তারের ছেলে মোঃ মোক্তার হোসেন (১২) ও ময়মনসিংহ জেলার আরাকান্দা উপজেলার দূর্গাচি গ্রামের মোঃ মোসলেম মিয়ার ছেলে পাভেল মিয়া (১০)।
কুমিলায় শিশু পাচার মামলায় ৩জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড
তাপস চন্দ্র সরকার, চট্টগ্রাম : কুমিলায় শিশু পাচার মামলায় ৩জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ প্রদান করেন কুমিলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত। ২৮ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় ওই দন্ডাদেশ প্রদান করেন কুমিলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল (জেলা ও দায়রা জজ) এর বিচারক বেগম জেসমিন আরা বেগম। যাহার নারী ও শিশু মামলা নং-২৫১/২০০৪।
এজাহার সূত্রে জানা যায়- ২০০৪ সনের ৩০জুন রাত সাড়ে ১১টার সময় কুমিলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বদর টিলা নামক স্থানে এস.আই আমির হোসেন, সিপাহী মোঃ জামাল উদ্দিন ও মোঃ গোলাম মোস্তফা চোরা চালান দমনে টহল ডিউটি করার সময় “সাহেব টিলা” নামক স্থানে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থেকে বিভিন্ন জেলা হতে ৩জন শিশুকে ভারতে পাচার করার সময় ৩জনকে আটক করে। এ ব্যাপারে ২০০৪ সনের ১লা জুলাই নায়েব আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে ১জুলাই চৌদ্দগ্রাম থানার এজাহার দায়ের করেন। যাহার নং-৩। পরবর্তীতে ২০০৪ সনের ৩ অক্টোবর তদন্তকারী কর্মকর্তা ৩জনের নাম উলেখ্য পূর্বক তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করেন। অতঃপর মামলা বিচারের আসিলে এ মামলায় রাষ্ট্র পক্ষে ১১জনের স্বাক্ষ্য প্রদান শেষে যুক্তিতর্ক শুনানী অন্তে আসামী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও মোঃ মামুন এবং পলাতক আসামী মোঃ জাকির হোসেন এর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (২০০৩সনের সংশোধনীসহ) ৬ (১) ধারার অপরাধ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাঁদেরকে দোষী সাব্যস্থ ক্রমে যাবজ্জীবন করাদন্ড ও প্রত্যেককে ৫০হাজার টাকা করে অর্থদন্ড প্রদান করেন। অন্যথায় আরো ১ বৎসর সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন আদালত।
সাজা প্রাপ্ত আসামীরা হলেন- কুমিলা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামের মোঃ ছৈয়দ আলী’র ছেলে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (২৬), ঢাকার লালবাগ থানাধীন লালবাগ কামরাঙ্গীর চর মধ্যম ইসলাম নগর এর মোঃ আক্কাছ আলী’র ছেলে মোঃ জাকির হোসেন (২২) ও ঢাকার কল্যাণপুর এলাকার মোঃ আলতাফ হোসেন এর ছেলে মোঃ মামুন (২২)।
উদ্ধারকৃত শিশুরা হলেন- গাজীপুর জেলার টংগী থানার মুরকুল গ্রামের মোঃ শফিকুল ইসলাম (সকু)’র ছেলে মোঃ সাগর (১৪), ফদিরপুর আটঘর গ্রামের আঃ ছাত্তারের ছেলে মোঃ মোক্তার হোসেন (১২) ও ময়মনসিংহ জেলার আরাকান্দা উপজেলার দূর্গাচি গ্রামের মোঃ মোসলেম মিয়ার ছেলে পাভেল মিয়া (১০)।




