মোস্তাফিজুর রহমান, বেতাগী (বরগুনা) : কাজের জবাব দিহিতার প্রশ্ন ও অশোভন মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বেতাগীতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)‘র ঠিকাদার ও কর্মকর্তার মধ্যে শুক্রবার উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ে হাতাহাতি, চেয়ার নিক্ষেপের ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় ৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে বরগুনা-বেতাগী-নিয়ামতি- বাকেরগঞ্জ মহাসড়কের বেতাগী অংশের রাস্তার বর্ধিতকরন ও পুনর্নির্মান কাজ পরিদর্শনে যায় স্থানীয় এলজিইডি অফিসের একটি দল। পরে সকাল সাড়ে দশটার দিকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) বেতাগী উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ে সড়কের কাজের গুণগতমান ও অগ্রগতি নিয়ে প্রকল্পের ডাইরেক্টর রেজাউর রহমান, বেতাগী উপজেলা প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম, এলজিইডি বরগুনার উপ-সহকারি প্রকৌশলী মো.জাকির হোসেন, এলজিইডির ঠিকাদার মো. হুমায়ূন কবির,মো.খলিলুর রহমান ও কে.এম মারুফ রেজার মধ্যে কথা হচ্ছিল। এক পর্যায় কাজের জবাব দিহিতা চাওয়ায় ঠিকাদার মারুফ রেজা মহাসড়কের বৃক্ষ রোপন প্রকল্পের দুর্নীতির সাথে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) বরগুনার বদলীকৃত নির্বাহী প্রকৌশলী শাহেদুর রহমান ও অন্য কর্মকর্তাদের জড়িয়ে অশোভন মন্তব্য করলে উপ-সহকারি প্রকৌশলী মো.জাকির হোসেন প্রতিবাদ করেন।এতে কে.এম মারুফ রেজা ক্ষিপ্ত হয়ে উপ-সহকারি প্রকৌশলীর উপর চেয়ার নিক্ষেপ করেন। তিনিও হাতাহাতি ও বাকবিতান্ডায় লিপ্ত হন। পরবর্তীতে উপস্থিত অন্য ঠিকাদার ও কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। এলজিইডির ঔ কর্মকর্তা ব্যস্ততার কথা বলে বিষয়টি এরিয়ে গেলেও একেবারে অস্বীকার করেননি।তবে বেতাগী উপজেলা প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম বলেন, তার সম্মুখেই এ অনাকাঙ্খিত ও অনভিপ্রেত ঘটনার অবতারনা হয়েছে। যা কারো কাম্য নয়। মেসার্স তানিয়া এন্টার প্রাইজ এন্ড বাবুল শেখ(জেভি)‘র মালিক কে.এম মারুফ রেজা এ ব্যাপারে মুঠোফোনে বলেন,‘তারা দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা। মহাসড়কের ৩২ লক্ষ টাকার বৃক্ষ রোপনে ১ ভাগ টাকারও কাজ করা হয়নি, অথচ সড়কের কাজে অহেতুক তদারকি করে কাজ ব্যহত করছেন তারা। আমি এসব ব্যাপারে প্রকাশ্যে কথা বলেছি।প্রকৌশলী এর প্রতিবাদ করলে ও সাধু সাজার চেষ্টা করায় তাকে থাপ্পর মেরেছি।’
স্থানীয়রা জানায়, এ নিয়ে তাদের মধ্যে দ’ুদফায় লাঞ্চিত করার ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটলো। চলতি বছরের জুনে মহাসড়কের চান্দখালী বাইপাস থেকে কাজির হাঁট বাজারের দক্ষিণ পাশ পর্যন্ত রাস্তার ১০ দশমিক ৫ কিলোমিটার অংশের ১০ কোটি টাকার কাজের মান নিয়ে মারুফ রেজার কাছে প্রকৌশলী জাকির হোসেন প্রশ্ন করায় বটতলা বাজার এলাকায় একইভাবে অবাঞ্চিত ঘটনার অবতারনা হয়।




