জাকির হোসেন, ছাতক (সুনামগঞ্জ) : শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী বলেছেন, আওয়ামী লীগ ফের ক্ষমতায় গেলে ছাতক সিমেন্ট কারখানাকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে আরও উন্নত করে ৫ বছরের মধ্যে এখানে একটি ক্লিংকার কারখানা স্থাপন করা হবে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুরের মতো একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিনত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেভাবেই হোক বাঁশ ও লাঠি হাতে নিয়ে এ এলাকায় মুহিবুর রহমান মানিককে নির্বাচিত করতে হবে। আগামী সংসদ নির্বাচন স্বাধীনতার যুদ্ধের চেয়েও গুরুত্বপূর্ন। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত না খেয়ে, না ঘুমিয়ে রাস্তায় নেমে মানিককে নির্বাচিত করার জন্য কাজ চালিয়ে যেতে হবে।
৩০ অক্টোবর বুধবার রাতে ছাতক সিমেন্ট কারখানার শ্রমিক ক্লাবে তাকে দেয়া এক সংবর্ধনা সভায় তিনি ওইসব কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, সিমেন্ট কারখানার উন্নয়নে ২০কোটি টাকার দাবির প্রেক্ষিতে স্থায়ী কমিটি ৭ কোটি টাকা বরাদ্ধের অনুমোদন দিয়েছে। ৫ নভেম্বরের সভায় কারখানার ১শ ৩৬জন শ্রমিকের চাকুরী স্থায়ীকরনেরও অনুমোদন দেয়া হবে।
কারখানা শ্রমিক সংগঠন-১৬৬২’র সভাপতি খছরুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও শ্রমিক নেতা মোহাম্মদ আলী পান্নার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিল্প মন্ত্রনালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য কামাল আহমদ মজুমদার এমপি, মুহিবুর রহমান মানিক এমপি, মেরাজ উদ্দিন মোল্লা এমপি, আলী আজগর এমপি, আনোয়ারুল আশরাফ খাঁন এমপি, সুলতানা বুলবুল এমপি (সংরক্ষিত), বিসিআইসি’র পরিচালক দিপক রঞ্জন দত্ত, মনজুরুল হক তরপদার, ছাতক সিমেন্ট কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিকুল ইসলাম। আরও বক্তব্য রাখেন ছাতক উপজেলা আ’লীগের আহবায়ক লুৎফুর রহমান সরকুম, দোয়ারা উপজেলা আ’লীগের আহবায়ক ইদ্রিস আলী (বীর প্রতিক), ছাতক উপজেলা আ’লীগের সাবেক সভাপতি আবরু মিয়া তালুকদার, সাবেক পৌরসভার চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল ওয়াহিদ মজনু, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান চৌধুরী খোকন, কারখানার শ্রমিক সংগঠন-১৬৬২’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এমএ খালেক, শ্রমিক নেতা আব্দুল কুদ্দুছ, ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল আবেদীন আবুল, বিল্লাল হোসেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আনোয়ার রহমান তোতা মিয়া, সৈয়দ আহমদ, আব্দুল কাদির, আবু সাদত লাহিন, জসিম উদ্দিন মজুমদার, বাবুল রায় প্রমুখ। সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন, শাহাদত হোসেন ও গীতা পাঠ করেন, শৈলেন্দ্র দেবনাথ।




