ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী : বৃষ্টি উপেক্ষা করে রাজশাহীসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের নেতা-কর্মীরা। রাজশাহীতে ১৮ দলীয় জোট পৃথকভাবে কাটাখালি ও বানেশ্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। এর একটিতে নেতৃত্বে দেন বিএনপির বিশেষে সম্পাদক ও জেলার সভাপতি নাদিম মোস্তফা ও অপরটিতে নেতৃত্ব দেন জেলার সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট কামরুল মনির। অপরদিকে পুলিশের অনুমতি নিয়েও রাজশাহী মহানগরীতে সমাবেশ করেনি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দল। তবে দিনভর দলীয় কার্যালয়ে অবস্থান নেয় নেতা-কর্মীরা।
শুক্রবার ভোর থেকেই রাজশাহীতে গুড়িগুড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে সকাল ১১টা থেকে ১৮ দলের নেতাকর্মীরা রাজশাহী কলেজ চত্ত্বরে জমায়েত হতে শুরু করে। পৌনে ১২টার দিকে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করা হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও মহানগরের সভাপতি মিজানুর রহমান মিনু, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সিটি মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন ও মহানগর জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী এমাজ উদ্দিন মন্ডল। সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট হয়ে মালোপাড়া দিয়ে রাজশাহী কলেজের সামনে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল শেষে সেখানে আর কেউ অবস্থান করেনি দলের নেতাকর্মীরা।
অপরদিকে, বিকেলে পবা উপজেলার কাটাখালি পৌরসভায় জেলা ১৮ দলের ডাকা বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিকেল ৩টা থেকে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ১৮ দলের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সেখানে জড়ো হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির বিশেষে সম্পাদক ও জেলার সভাপতি নাদিম মোস্তফা, দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আজিজুর রহমান, সৈয়দ শাহীন শওকত, মতিউর রহমান মুন্টু, জেলা বিএনপির সহসভাপতি তোফাজ্জাল হোসেন তপু, কাটাখালি পৌর জামায়াতে আমীর আব্দুল হাই, জামায়াতের সুরা সদস্য জালাল উদ্দিন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শফিকুল আলম সমাপ্ত প্রমূখ।
অন্যদিকে, জেলার পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বরে জেলা বিএনপির একাংশের আয়োজনে বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. কামরুল মনির, চারঘাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সাঈদ চাঁদ, জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি তাজমুলতান টুটুল প্রমূখ।
এদিকে নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে সমাবেশের অনুমতি পেয়েও সমাবেশ করেনি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলে। সকাল ১০টা থেকে দিনভর তারা কুমারপাড়াস্থ আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে অবস্থান নিয়ে থাকে। দলীয় কার্যালয়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক বজলুর রহমান, সহসভাপতি আলহাজ্ব রফিক উদ্দিন, মীর ইকবাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শফিকুল হক বাদশা প্রমূখ। এছাড়াও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদের নেতৃত্বে দলের নেতাকর্মীরা লক্ষ্মীপুর দলীয় কার্যালয়ে অবস্থান নেন।




