মো. ফারুক হোসেন, ঢাকা : সারা দেশে শুক্রবার ভালোবাসা দিবসে অনুষ্ঠিত হবে নারী জাগরণ। গত বছরও ভালোবাসা দিবসে নারী জাগরণ অনুষ্ঠিত হয়। ১৩ ফেবচ্রুয়ারী বুধবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে অধিকার সচেতন নারীদের জোট উদ্যম উত্তরণে শত কোটি সংগঠনের সমন্বয়ক খুশী কবির এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন। তিনি জাতিসংঘের এক প্রতিবেদন তুলে ধরে বলেন, পৃথিবীর তিনজন নারীর মধ্যে একজন জীবদ্দশায় একবার সহিংসতা বা ধর্ষণের শিকার হন। পৃথিবীর জনসংখ্যা সাতশ কোটি হলে নির্যাতিত নারী ও শিশুর সংখ্যা শতকোটিরও বেশি। খুশী কবির আরও বলেন নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ ও ন্যায়বিচারের দাবিতে গত বছর ২শ ৬টি দেশের প্রায় ৩শটি সংগঠন এতে অংশ নিয়ে প্রতিবাদ জানায়। ওই সময় বাংলাদেশের সব জেলার প্রায় ৩০ লাখ নারী এ জাগরণে অংশ নেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি নারীরা আদালত পুলিশ স্টেশন, সরকারি-বেসরকারি অফিস, বিদ্যালয়সহ যে যার কর্মস্থলে একত্রিত হয়ে নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবে। ঢাকায় হাইকোর্টের সামনে দুপুর ২টায় ও জেলাগুলোতে নারীরা বিভিন্ন সময়ে লাল রঙের পোশাক পরে একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ জানাবে। বাংলাদেশের নারী নির্যাতনের

চিত্র ভয়াবহ উল্লেখ করে খুশী কবির বলেন, ২০০২-১৩ পর্যন্ত বাংলাদেশে নির্যাতনের শিকার হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৮৬২ জন নারী ও শিশু; কিন্তু এগুলোর মামলা হলেও বিচার হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন আইনের ফাঁক গলিয়ে অবৈধ লেনদেন আর প্রভাব খাটিয়ে অপরাধীরা পার পেয়ে যায়। ন্যায়বিচার না পাওয়ায় নির্যাতিত হওয়ার পরও নারীরা বিচারের জন্য আসতে চান না।




