ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জারী বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এফএসিএস ফেলোশিপ অর্জন করেছেন। সম্প্রতি তিনি বিশ্বের বৃহত্তম ও স্বনামধন্য সার্জিক্যাল সোসাইটি House of Surgeons খ্যাত American College of Surgeon (ACS) থেকে ওই FACS ফেলোশিপ অর্জন করেন। ফেলোশিপ অর্জন করায় তিনি আমেরিকার শিকাগোতে এসিএস ক্লিনিক্যাল কংগ্রেস-২০২৫ এর সমাবর্তন অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করেন এবং দুটি সাইন্টিফিক পেপার উপস্থাপন করেন।

ইতোপূর্বে তিনি ইন্টারন্যাশনাল কলেজ অব সার্জনস (আইসিএস) আমেরিকা থেকে এফআইসিএস ফেলোশিপ অর্জন করেন। এশিয়া প্যাসিফিক স্পাইন সোসাইটি কর্তৃক মনোনীত হয়ে হংকং ইউনিভার্সিটির কুইন মেরী হাসপাতাল থেকে এপিএসএস ফেলোশিপ অর্জন করেন। তিনি Sancheti Institute of Orthopedics & Rehabilitation, SIOR পুনে, ইন্ডিয়া থেকে পেডিয়েড্রিক অর্থোপেডিক সার্জারীতে ফেলোশিপ অর্জন করেন। এদিকে তার গৌরবোজ্জল ফেলোশিপ অর্জনে শেরপুরসহ ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিভিন্ন সেবাামূলক প্রতিষ্ঠান তাকে অভিনন্দন জানিয়েছে।
অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার হাতীবান্ধা ইউনিয়নের ঘাগড়া মন্ডলবাড়ী এলাকার মরহুম কফিল উদ্দিন মন্ডল ও সুলেমা খাতুনের একমাত্র পুত্র। তিনি ঐতিহ্যবাহী মালিঝিকান্দা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি ও ঢাকার নটরডেম কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রী লাভ করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে সফলতার সাথে এম.এস (অর্থো) ডিগ্রী অর্জন করেন।

তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বি.সি.এস) ২২তম ব্যাচে স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন হিসেবে যোগদান করে ২০২৩ সালের নভেম্বরে সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের (এস.এস.বি) সুপারিশে অধ্যাপক (গ্রেড-৩) পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত হন। তিনি প্রতি শুক্রবার শেরপুরের জামান হেলথ কমপ্লেক্সে নিয়মিত রোগী দেখেন।
তিনি ডাক্তারী পেশার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথেও জড়িত রয়েছেন। তিনি সেবা ও শিক্ষামূলক সংগঠন ‘শিকড় ঝিনাইগাতী’ সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক।
এছাড়া শেরপুর ডায়াবেটিক সমিতি, শেরপুর হার্ট ফাউন্ডেশন, শেরপুর রোটারি ক্লাব, শেরপুর ক্লাব, রোটার্যাক্ট ক্লাব ও শেরপুর হাজী কল্যাণ সমিতির আজীবন সদস্য এবং রক্তসৈনিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের সম্মানীত উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য হিসেবে রয়েছেন। তার স্ত্রী ডা. রওশনআরা রুমা ময়মনসিংহে পরমাণু শক্তি কমিশনের অধীন ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সে (ইনমাস) এ রেডিওলজি অ্যান্ড ইমাজিন বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এ চিকিৎসক দম্পতির রয়েছে দুই পুত্র সন্তান।




