ads

শনিবার , ৩০ আগস্ট ২০২৫ | ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আব্দুল জব্বারের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
আগস্ট ৩০, ২০২৫ ২:০৩ অপরাহ্ণ

আজ ৩০ আগস্ট, কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আব্দুল জব্বারের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১৭ সালের জুলাইয়ে কিডনি, হার্ট, প্রস্টেটসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১ আগস্ট তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। ৩০ আগস্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাশ ত্যাগ করেন এ কিংবদন্তি।

Shamol Bangla Ads

বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ ও ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’সহ অংসখ্য গান মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল ও প্রেরণা যোগাত। সে সময় একজন কণ্ঠযোদ্ধা হিসেবে যুদ্ধে অংশ নেওয়া বীরদের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন। তার গানে অনুপ্রাণিত হয়ে অনেকেই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

আব্দুল জব্বারের গাওয়া ‘তুমি কি দেখেছো কভু জীবনের পরাজয়’, ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ ও ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গান তিনটি ২০০৬ সালে মার্চ মাস জুড়ে অনুষ্ঠিত বিবিসি বাংলার শ্রোতাদের বিচারে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ২০টি বাংলা গানের তালিকায় স্থান করে নেয়।

Shamol Bangla Ads

১৯৩৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন আব্দুল জব্বার। ছোটবেলা থেকে গানের প্রতি ভালোবাসা ছিল। সংগীতের হাতেখড়ি গ্রহণ করেন ওস্তাদ ওসমান গনি এবং ওস্তাদ লুৎফুল হকের কাছে। ১৯৫৮ সাল থেকে তৎকালীন পাকিস্তান বেতারে তালিকাভুক্ত হন আব্দুল জব্বার।

১৯৬২ সালে তিনি প্রথম চলচ্চিত্রের জন্য গান করেন। ১৯৬৪ সাল থেকে বিটিভির নিয়মিত গায়ক হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় আব্দুল জব্বার প্রখ্যাত ভারতীয় কণ্ঠশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে মুম্বাইয়ের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পক্ষে জনমত তৈরিতে কাজ করেন। সে সময় কলকাতাতে অবস্থিত বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্প ঘুরে হারমোনি বাজিয়ে গণসংগীত পরিবেশন করেতেন। যা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণা যুগিয়েছিল। গণসংগীত গেয়ে প্রাপ্ত ১২ লাখ রুপি তিনি স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের ত্রাণ তহবিলে দান করেছিলেন।

উল্লেখ্য, সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু স্বর্ণপদক, ১৯৮০ সালে একুশে পদক, ১৯৯৬ সালে স্বাধীনতা পদক, ২০১১ সালে আজীবন সম্মাননা এবং জহির রায়হান চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!