হাফিজার রহমান আদমদীঘি (বগুড়া) : স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কলহ নির্যাতন পিতা মাতার সাথে অভিমান আত্মহত্যা করতে প্ররোচিত বা বাধ্য করা সহ নানা কারনে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় ২০১৩ সালের ১ বছরে ১২১ জন নারী ও পুরুষ গলায় ফাঁস ও বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। এর মধ্যে ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে আত্মহত্যার চেষ্টা ও আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে প্ররোচরাকারীরা আইনগত অপরাধ করলেও এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা হয়না। অবগত না হওয়া ও বাদী না থাকার কারনে এদের বিরুদ্ধে কোনই ব্যবস্থা নেয়া যায়না বলে থানার অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলাম জানান।
আদমদীঘি থানা ও হাসপাতাল সূত্রে জানাযায়, বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় বিগত ২০১৩ সালের জানুয়ারী মাস হতে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত গত এক বছরে ১২১ জন নারী পুরুষ গলায় ফাঁস ও বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। গত জানুয়ারী মাসে ৯ জন বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। এদের মধ্যে ১ জন মারা যায়। ফেব্রুয়ারী মাসে ১১ জন আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়, ৩ জন মারা যায়। মার্চ মাসে ১৩ জন আত্মহত্যার চেষ্টা চালায় ৩ জন মারা যায়। এপ্রিল ম সে ১১ জন বিষ ও গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়, ৩ জন মারা যায়। মে মাসে ৯ জন আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়, মারা যায় ১জন। জুন মাসে ১৪ জন বিষ পানে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়, মারা যায় ১ জন। জুলাই মাসে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায় ১৩ জন, মারা যায় ৫ জন। আগষ্ট মাসে ৯ জন আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়ে মারা যায় ২ জন। সেপ্টেম্বর মাসে ৯জন আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়ে মারা যায় ১ জন। অক্টোম্বর মাসে ৯ জন আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়ে মারা যায় ১জন। নভেম্বর মাসে ১০ জন আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়ে মারা যায় ২জন এবং ডিসেম্বর মাসে ৪ জন বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। এ সব অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় থানায় পৃথক ইউ.ডি মামলা হয়েছে। আত্মহত্যা ও আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার বিধান থাকলেও প্রয়োগ করা হয়না। ফলে উপজেলায় আত্মহত্যার চেষ্টা ও মৃত্যুর প্রবনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অভিজ্ঞ মহলের অভিমত।




