শেরপুরের নকলায় রোমানা আক্তার (১৫) নামে নবম শ্রেণিপড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে নকলা থানা পুলিশ। ২২ নভেম্বর শুক্রবার রাত ১১টার দিকে টালকী ইউনিয়নের মজিদবাড়ি গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। পরে ১১ ঘন্টা পর ২৩ নভেম্বর শনিবার সকাল ১০টার দিকে রোমানার পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো হয় নকলা থানা পুলিশকে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রোমানার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। বিষয়টি নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয় মহলে। রোমানা স্থানীয় উসমান মিয়ার (৬২) মেয়ে এবং নয়াবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ৪ ভাই-বোনের মধ্যে রোমানা ছিল সর্বকনিষ্ঠ।

রোমানার ভাই সাঈদ খোকন (২১) জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পরিবারের সবার সাথে রাতের খাবার খায় রোমানা। খাবার শেষে রোমানা তাঁর বড়বোনের ছেলে হাসানকে (৬) নিয়ে তাঁর শয়নকক্ষে যায়। রাত ১১টার দিকে হাসানের চিৎকারে শয়নকক্ষের দরজা ভেঙে লাইট জালিয়ে দেখা যায় রোমানা শয়নকক্ষের ধন্যার সাথে গলায় উড়না পেচানো অবস্থায় ঝুলে রয়েছে। পরে দ্রুত রোমানাকে সেখান থেকে নামিয়ে খবর দেওয়া হয় মামুন মিয়া নামে স্থানীয় একজন পল্লী চিকিৎসককে। পরে ওই পল্লী চিকিৎসক এসে রোমানার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন রোমানার পরিবারকে।
এ ব্যাপারে নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে রোমানার লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়। লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির সময় লাশের গলায় ফাঁসিতে ঝুলার চিহ্ন পাওয়া গেছে। ওই ঘটনায় নকলা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। রোমানার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




