শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে পথসভা করেছেন প্রয়াত জাহেদ আলী চৌধুরীর পুত্র জেলা বিএনপি নেতা প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী। ১৮ অক্টোবর শুক্রবার রাতে উপজেলার বারমারী বাজারে ওই পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
ওইসময় তিনি বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনের পরে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকার আমাদের পরিবারকে যেভাবে হয়রানী করেছে তা বলার ভাষা নেই। আমরা খুবই বিপর্যস্ত ছিলাম। তাই আমাদের বিচরণ কমে গিয়েছিল। সবসময় আপনাদের কাছে আসতে পারিনি। এ জন্য তিনি দলীয় নেতাদের প্রতি দুঃখ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, গত ৫ আগস্টের পর আমরা নিজেরা নিজেরা কেন যেন বিভ্রান্তিতে জড়িয়ে যাচ্ছি। এ বিভ্রান্তি থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এখানে বালু মহাল নিয়ে বা অন্যান্য মহাল নিয়ে যাই হচ্ছে, এ বিষয়ে আমি একেবারেই অজ্ঞাত। আমি এ বিষয়ে কোথাও কোন হস্তক্ষেপ করিনি। আমি জানি আপনারা আমার বাবা প্রয়াত হুইপ জাহেদ আলী চৌধুরীকে এখনও ভুলেননি। তাই তার আদর্শ অনুসরণ করে আমি আপনাদের পাশে রয়েছি।
স্থানীয় বিএনপি নেতা দরবেশ আলীর সভাপতিত্বে পথসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রখেন শহর বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক আলী আকবর চান্দু, বিএনপি নেতা আনসার আলী, কৃষকদল নেতা রেজাউল করিম, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, শিক্ষানবীশ আইনজীবী আবুল হাসনাত ডিউন প্রমুখ।

পরে স্থানীয় সমশ্চুড়ায় আয়োজিত এক ইসলামী ধর্মসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন ফাহিম চৌধুরী। এর আগে তিনি মানুপাড়া বাজারে এক সংক্ষিপ্ত পথসভায় অংশ নেন। ওইসব সভায় উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম বুলবুল, যুবদল নেতা রহুল আমীন, বীরমুক্তিযোদ্ধা আকমল হোসেন, বিএনপি নেতা অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য রবিউল আলমসহ অনেকে অংশ নেন।
সন্ধ্যায় নকলা বিএনপি ও যুবদল নেতাকর্মীদের নিয়ে সভা করেন ফাহিম চৌধুরী। সেসময় যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভার বক্তব্যে ফাহিম চৌধুরী বন্যার্ত মানুষের ত্রাণ সহায়তার পাশাপাশি ঘরোয়া আলোচনা সভা ও মিলাদ-মাহফিল করার আহবান জানিয়ে সদ্যপ্রয়াত মতিয়া চৌধুরীকে লক্ষ্য করে বলেন, যেভাবেই বলেন, আমরা নকলা-নালিতাবাড়ীবাসী একজন অভিভাবক হারিয়েছি। এ মুহূর্তে এমন কিছু করা যাবে না যা দৃষ্টিকটু দেখায়।




