ads

রবিবার , ১৬ জানুয়ারি ২০২২ | ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ঝিনাইগাতীতে বধ্যভূমি সংরক্ষণ কাজ করতে গিয়ে মিলল কঙ্কাল

খোরশেদ আলম, ঝিনাইগাতী
জানুয়ারি ১৬, ২০২২ ৭:০২ অপরাহ্ণ

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার আহম্মদনগর বধ্যভূমির সংরক্ষণ কাজ করতে গিয়ে মাথার খুলি ও হাড়গোড় উদ্ধার হয়েছে। রবিবার দুপুরে বধ্যভূমিটি সংরক্ষণের কাজ করতে গিয়ে মাটি খোঁড়ার সময় ৪টি মাথার খুলি ও কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। ওইসব কঙ্কালগুলো সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে সংরক্ষণের জন্য নেওয়া হয়েছে।

Shamol Bangla Ads

জানা যায়, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ঝিনাইগাতী উপজেলার আহম্মদনগরে পাক-হানাদার বাহিনীর টর্চার সেল ছিল। ওই ক্যাম্পে প্রতিনিয়ত মানুষ হত্যা করে গণকবর দেয়া হতো। এতদিন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওই স্থানটি অবহেলিত থাকলেও স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫০ বছর পর গণকবরটি সংরক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করে স্থানীয় প্রশাসন। সম্প্রতি গণপূর্ত অধিদফতরের আওতায় বধ্যভূমিটি সংরক্ষণের কাজ শুরু করা হয়। রবিবার রাজমিস্ত্রি লিটন মিয়া, রমজান আলী ও শাহ আলীসহ কয়েকজন শ্রমিক বধ্যভূমির বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের জন্য মাটি খনন কাজ শুরু করলে মাটির নিচ থেকে ৪টি মাথার খুলি ও বেশ কিছু হাড়গোড় বের হয়ে আসে। বিষয়টি জানাজানি হয়ে পড়লে এলাকায় হুলস্থুল সৃষ্টি হয়। পরে মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় সচেতন মহলের দাবির মুখে গণপূর্ত বিভাগ উদ্ধার হওয়া মাথার খুলি ও কঙ্কালগুলো সংরক্ষণের জন্য রেখেছে।

এ বিষয়ে জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার নুরুল ইসলাম হিরু রবিবার সন্ধ্যায় শ্যামলবাংলা২৪ডটকমকে বলেন, মুক্তিযুদ্ধকালে শেরপুর অঞ্চলে পাকহানাদার বাহিনীর অন্যতম টর্চারসেল ছিল আহম্মদনগরে। স্থানীয় রাজাকার আলবদরদের সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সহায়তাকারীদের বিভিন্ন এলাকা থেকে ধরে নিয়ে সেখানে নির্যাতনে হত্যা করে লাশ গণকবরে পুতে রাখা হতো। তার ধারণা, স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫০ বছর পর সেখানকার বধ্যভূমি সংরক্ষণ করতে গিয়ে যে কঙ্কালগুলো বেরিয়ে এসেছে সেগুলো ওইসময়কালে নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রাণ হারানো মানুষেরই। তিনি আরও বলেন, কঙ্কালগুলো গজনী অবকাশে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কিংবা বধ্যভূমিতে প্রস্তাবিত গৃহে সংরক্ষণের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দাবি জানানো হয়েছে।

Shamol Bangla Ads

শেরপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী শ্যামলবাংলা২৪ডটকমকে জানান, সম্প্রতি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে গণকবরটি সংরক্ষণে বাউন্ডারি ওয়াল ও একটি স্মৃতিফলক নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। নির্মাণ কাজের খুড়াখুড়ির সময় মাটির নিচ থেকে কয়েকটি কঙ্কাল বের হয়ে আসে। বর্তমানে সেগুলো আমাদের হেফাজতে রয়েছে। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী সেগুলো সংরক্ষণ করা হবে।

এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক আল মাসুদ রবিবার সন্ধ্যায় শ্যামলবাংলা২৪ডটকমকে জানান, গণকবর সংরক্ষণ কাজের সময় মুক্তিযুদ্ধকালে কবর দেওয়া কয়েকজনের কঙ্কাল বের হয়ে আসে বলে ধারণা করছি। কঙ্কালগুলো আপাতত গণপূর্ত বিভাগের তত্ত্বাবধানেই রাখা হয়েছে। বিষয়টি ডিসি স্যারের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সংশ্লিষ্ট বিভাগকে অবহিত করা হয়েছে এবং স্থানীয় দাবির বিষয়টিও জানানো হয়েছে। সে অনুযায়ী কোন নির্দেশনা পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!