ধারাভাষ্যকাররা কয়েক দফা বলে গেলেন, ম্যাচের ব্যবধান গড়ে দেবে বুমরার শেষ ২ ওভার। চার ও ছক্কার বৃষ্টির রাতে যেখানে প্রায় বোলার বেদম পিটুনি খেয়ে দিশেহারা হয়ে উঠেছিলেন, সেখানেও সময়ের সেরা যশপ্রীত বুমরা ছিলেন ব্যতিক্রম। শেষ পর্যন্ত বুমরাই বুদ্ধিদীপ্ত ইয়র্কার ও স্লোয়ারে সেমিফাইনালের ভাগ্য গড়ে দিলেন। প্রথম ২ ওভারে ১৯ রান দেওয়ার পর শেষ ২ ওভারে তিনি দিলেন মাত্র ১৪! তাতে সতীর্থ বোলারদের ওপর থেকে চাপ দূর হয়ে গেল।

শিবম দুবে শেষ ওভারে ৩ ছক্কা খেলেও ভারতের বিন্দুমাত্র ক্ষতি হলো না। রানবন্যায় জমে ওঠা সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ৭ রানে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল ভারত।
মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস হেরে ৭ উইকেটে ২৫৩ রান করেছিল ভারত, যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। জবাবে জ্যাকব বেথেলের নয়নাভিরাম সেঞ্চুরির পরও ইংল্যান্ড ৭ উইকেটে ২৪৬ রানে থেমেছে।

২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সেমিফাইনালেও ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছেছিল ভারত। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে শিরোপাও জিতেছিল। এবারের ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। আগামী রবিবার (৮ মার্চ) আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে শিরোপার লড়াইয়ে নামবে দুই দল।
গত রবিবার (১ মার্চ) ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অঘোষিত কোয়ার্টার ফাইনালে অপরাজিত ৯৭ রান করে ভারতকে জিতিয়েছিলেন সঞ্জু স্যামসন। সেই স্যামসন আজও ব্যাট হাতে জ্বলে উঠেছেন। শুরুতে ‘জীবন’ পাওয়ার পর উপহার দিয়েছেন ৪২ বলে উপহার দিয়েছেন ৮৯ রানের ইনিংস। এ ম্যাচেও সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার তার হাতে উঠেছে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ভারত: ২০ ওভারে ২৫৩/৭ (স্যামসন ৮৯, দুবে ৪৩, কিষান ৩৯, পান্ডিয়া ২৭; জ্যাকস ২/৪০, আদিল ২/৪১, আর্চার ১/৬১)।
ইংল্যান্ড: ২০ ওভারে ২৪৬/৭ (বেথেল ১০৫, জ্যাকস ৩৫, বাটলার ২৫; পান্ডিয়া ২/৩৮, বুমরা ১/৩৩, অক্ষর ১/৩৫)।
ফল: ভারত ৭ রানে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: সঞ্জু স্যামসন (ভারত)।




