ads

বৃহস্পতিবার , ২২ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৮ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নকলায় বকেয়া বিলের ঘটনায় সহকারীকে মারধর করলেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা

জাহাঙ্গীর হোসেন, নকলা
জানুয়ারি ২২, ২০২৬ ২:৪৬ অপরাহ্ণ

শেরপুরের নকলায় উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে তার অধস্তন সহকারী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা পার্থ প্রতীম দে-কে মারধরের অভিযোগ ওঠেছে। ২০ জানুয়ারি মঙ্গলবার বিকেলে নকলা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের অফিসকক্ষে ওই ঘটনা ঘটে। বকেয়া বিল সংক্রান্ত মতপার্থক্যের কারণে ওই ঘটনা ঘটেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ঘটনার প্রতিকার ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে পার্থ শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

Shamol Bangla Ads

অভিযোগ পেয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ঘটনা তদন্তে ২১ জানুয়ারি বুধবার বিকেলে সরেজমিনে নকলা উপজেলা নির্বাচন অফিসে যান। তদন্তকালে তিনি (জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা) ঘটনার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে যাওয়া স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, ঘটনা সত্য হলে এটি হবে একটি গর্হিত কাজ এবং চাকরির আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তদন্তে ঘটনার সত্যতা পেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা নির্বাচন অফিসের অফিস সহকারী আল ইমরান উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নজরুল ইসলামকে পূর্ববর্তী কর্মকর্তার অফিস খরচের বকেয়া অর্থ পরিশোধের কথা বলেন। কিন্ত তিনি (উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা) ওই বকেয়া অর্থ দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। বিষয়টি নিয়ে সহকারী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা পার্থ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নজরুলের সাথে কথা বলতে গেলে তিনি (নজরুল) পার্থকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ এবং উপর্যুপরি কিল, ঘুষি মেরে আহত করেন। পরে ওইদিন পার্থ শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন এবং ঘটনার প্রতিকার ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ করেন।

Shamol Bangla Ads

উপজেলা নির্বাচন অফিসের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর আশরাফুজ্জামান জুয়েল ও আইডিয়া প্রকল্পের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর আঞ্জুমান আরা পপি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ঘটনার বিষয়ে তাদেরকে অন্য কারও সাথে কথা বলতে নিষেধ করেছেন।
সহকারী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা পার্থ প্রতীম দে জানান, তিনি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নজরুলের সাথে সরকারি কোয়ার্টারের থাকতেন। সেখানেও নজরুল তাঁকে অফিসের নানা বিষয়াদি নিয়ে মানসিক চাপ সৃষ্টি করত। ঘটনার পর থেকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও জানান পার্থ।

অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম জানান, প্রতিটি অফিস একটি পরিবার। পরিবারের কর্তা হিসেবে অন্যান্য সদস্যদের শাসন করার অধিকার তাঁর রয়েছে। তাই বলে আপনার অধস্তন একজন কর্মকর্তার গায়ে আপনি হাত তুলতে পারেন- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আসলে সেদিন তাঁর সাথে আমার কিছুই ঘটেনি।

Need Ads
error: কপি হবে না!