ads

বুধবার , ৭ জানুয়ারি ২০২৬ | ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

হাদি হত্যা : আসামি ফয়সালের সাড়ে ৬৫ লাখ টাকা ফ্রিজ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জানুয়ারি ৭, ২০২৬ ৪:১০ অপরাহ্ণ

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের ৫৩টি ব্যাংক হিসাবে থাকা ৬৫ লাখ ৫০ হাজার ২৪৬ টাকা ফ্রিজ (অবরুদ্ধ) করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

Shamol Bangla Ads

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ- সিআইডির আবেদনের প্রেক্ষিতে বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির উপ-পরিদর্শক আব্দুল লতিফ এসব ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং বিষয়ক অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে।

Shamol Bangla Ads

অনুসন্ধানকালে সন্দেহভাজন অভিযুক্ত মো. ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তির নামীয় এসব হিসাব বিশ্লেষণে যথেষ্ট সন্দেহজনক লেনদেন দেখা গেছে। এছাড়া প্রাথমিক অনুসন্ধানে ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে খুন, সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থ জোগান এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাচ্ছে। যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ধারা মতে সম্পৃক্ত অপরাধ। এমতাবস্থায় এসব হিসাবসমূহ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ (সংশোধনী-২০১৫) এর ১৪ ধারার বিধানমতে অবরুদ্ধকরণ এবং একই আইনের ১৭(২) ধারার বিধান মোতাবেক হিসাবগুলোতে স্থিত সমুদয় অর্থ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা একান্ত প্রয়োজন। অন্যথায় অভিযোগ নিষ্পত্তির পূর্বেই হিসাবগুলোতে স্থিত অর্থ বেহাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে হাদি হত্যা মামলায় ফয়সাল ও সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পিসহ ১৭ জনকে আসামি করে মঙ্গলবার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের মধ্যে ১১ জন গ্রেপ্তার আছেন।

গ্রেপ্তার থাকা ১১ জন হলেন- ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা মো. হুমায়ুন কবির, মা মোসা. হাসি বেগম, ফয়সালের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, রেন্ট-এ কার ব্যবসায়ী মুফতি মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, ফয়সালের সহযোগী মো. কবির, ভারতে পালাতে সহায়তাকারী সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম, কাউন্সিলর বাপ্পির বোন জামাই আমিনুল ইসলাম রাজু এবং সিপুর ঘনিষ্ঠ মো. ফয়সাল।

আর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, ফয়সাল করিম মাসুদ, মোটরসাইকেল চালক আলমগীর, ভারতে পাচারের সহায়তাকারী ফিলিপ, ফয়সলের বোন জেসমিন এবং তার স্বামী মুফতি মাহমুদ পলাতক আছেন।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ আদায় করে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করেন শহীদ ওসমান হাদি। এরপর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে ওইদিন দুপুর ২টা ২০ মিনিটে হাদিকে বহনকারী অটোরিকশা পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলে থাকা দুষ্কৃতকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অপারেশন শেষে এভারকেয়ার পাঠানো হয়।

পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।

হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর গত ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

Need Ads
error: কপি হবে না!