ads

বৃহস্পতিবার , ১ জানুয়ারি ২০২৬ | ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নতুন ‘এমপিও নীতিমালা-২০২৫’ কেন বাতিল হবে না জানতে চেয়ে হাইকোর্টে রুল জারি

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জানুয়ারি ১, ২০২৬ ৯:২৬ অপরাহ্ণ

এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক-কর্মচারী একই সংগে একাধিক চাকরি বা লাভজনক পদে কেন থাকতে পারবেন না এবং শিক্ষামন্ত্রণালয়ের জারি করা ‘এমপিও নীতিমালা-২০২৫’ ১৭ (ক ও খ) এর বিধান কেন বাতিল ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর মাউশির মহাপরিচালককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

Shamol Bangla Ads

এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি পর বিচারপতি ইউসুফ আব্দুল্লাহ সুমন ও বিচারপতি দিহিদার মাসুদ কবির সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ ১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সরকারের সংশ্লিষ্ঠদের প্রতি এ রুল জারি করেন। গত ৭ ডিসেম্বর শিক্ষামন্ত্রণালয় থেকে জারি করা ‘এমপিও নীতিমালা-২০২৫’ এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়।

আদালতে রিটকারিদের পক্ষে শুনানি করেন প্রবীন আইনজীবী ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার। মুহাম্মদ মাসুদ হাসানসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার ১০জন সাংবাদিক-শিক্ষকদের পক্ষে হাইকোর্টে রিট আবেদনটি দাখিল করেন আইনজীবী নাইম সরদার। হাইকোর্টের জারি করা রুলের বিষয়টি সমকালকে জানিয়েছেন ব্যারিস্টার কাজী রহমান মানিক।

Shamol Bangla Ads

গত ৭ ডিসেম্বর এমপিওভুক্তির নতুন জনবল কাঠামো ও নীতিমালা-২০২৫ জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন নীতিমালায় বলা হয়, এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক-কর্মচারী একই সঙ্গে একাধিক চাকরি বা লাভজনক পদে থাকতে পারবেন না। এর মধ্যে সাংবাদিকতা বা আইন পেশাও আছে। এটি করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও বাতিল করা যাবে। এই বিধান সন্নিবেশিত করায় বিপাকে পড়েন বিপুলসংখ্যক সাংবাদিক।

এরপর গত ১৮ ডিসেম্বর গণমাধ্যমে ‘মফস্বলে কাজ করা সাড়ে তিন হাজার সাংবাদিক বিপাকে’ শীর্ষক সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর দেশজুড়ে শিক্ষকসমাজের মধ্যে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতার পাশাপাশি মফস্বল এলাকায় খন্ডকালীন সাংবাদিকতা করেন, এমন সাড়ে তিন হাজার শিক্ষক-সাংবাদিকের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। অনেক জেলা ও উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত।

অনেকে উপজেলা/জেলা পর্যায়ে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকা, অনলাইন বা টিভি চ্যানেলের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে থাকেন। তাদের মতে, বিদ্যালয়ের দায়িত্ব শেষ করে সমাজসেবামূলক বা সম্মানীর বিনিময়ে কোনো কাজে যুক্ত থাকা অন্যায় নয়।

Need Ads
error: কপি হবে না!