ads

রবিবার , ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ | ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

হাদির ঘাতকদের ভারতে প্রবেশের দাবি নাকচ করলো মেঘালয় পুলিশ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫ ৭:৫১ অপরাহ্ণ

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই সন্দেহভাজন সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মেঘালয়ে প্রবেশ করেছে বলে বাংলাদেশ পুলিশ যে দাবি করেছে, তা নাকচ করে দিয়েছে মেঘালয় পুলিশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। রোববার মেঘালয় পুলিশ ও বিএসএফের জ্যেষ্ঠ দুই কর্মকর্তা বাংলাদেশ পুলিশের দাবিকে বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন।

Shamol Bangla Ads

দেশটির সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর শেখ ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়ে বর্তমানে মেঘালয়ে অবস্থান করছেন বলে বাংলাদেশ পুলিশ যে দাবি করেছে; মেঘালয় পুলিশের সদর দপ্তরের এক শীর্ষ কর্মকর্তা সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকা মহানগর পুলিশের কর্মকর্তাদের ওই দাবিকে ‘অসত্য’ এবং ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেছে মেঘালয় পুলিশ। রাজ্য পুলিশের জ্যেষ্ঠ ওই পুলিশ কর্মকর্তা টেলিফোনে হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেছেন, ‌‌বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে মেঘালয় পুলিশের আনুষ্ঠানিক কিংবা অনানুষ্ঠানিক কোনও যোগাযোগ হয়নি। দুই অভিযুক্তের কাউকে গারো পাহাড় এলাকায় শনাক্ত কিংবা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

Shamol Bangla Ads

এর আগে, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার দিনই হাদিকে গুলি করা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ ওরফে রাহুল ও মোটরসাইকেল চালক আলমগীর শেখকে শনাক্ত করা হয়। তাৎক্ষণিক তাদের গ্রেপ্তারের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক টিম কাজ করছে।

তিনি বলেন, ঘটনার পরপরই ফয়সাল ও আলমগীর ঢাকা থেকে সিএনজি করে আমিনবাজারে যায়। পরবর্তীতে সেখান থেকে মানিকগঞ্জের কালামপুর যায়। সেখান থেকে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রাইভেটকারে করে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে পৌঁছে। আসামিদের চিহ্নিত করার আগেই তারা সীমান্ত অতিক্রম করতে সক্ষম হয়।

হালুয়াঘাটের আগে মুন ফিলিং স্টেশনে ফিলিপ এবং সঞ্জয় নামে দুই ব্যক্তি তাদের গ্রহণ করার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। ফিলিপ তাদের সীমান্ত পার করার পর ভারতের মেঘালয় রাজ্যে পুত্তির নামে এক ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করে। পুত্তি ট্যাক্সি ড্রাইভার সামীর কাছে তাদের হস্তান্তর করে। সামী মেঘালয় রাজ্যের তুরা নামক জায়গায় তাদের পৌঁছে দেয়।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারের এই দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে মেঘালয় পুলিশ। রাজ্য পুলিশের ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, সীমান্ত পারাপার কিংবা পুর্তি ও সামীর ভূমিকার বিষয়ে কোনও গোয়েন্দা তথ্য, মাঠপর্যায়ের যাচাইবাছাই কিংবা কার্যকর প্রমাণ নেই।

মেঘালয়ের ওই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘‘রাজ্যের কোথাও পুর্তি কিংবা সামীকে শনাক্ত, খুঁজে বের করা কিংবা গ্রেপ্তার করা হয়নি। ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কোনও ধরনের যাচাই বা সমন্বয় ছাড়াই এই আখ্যান তৈরি করা হয়েছে বলে মনে হয়।’’

ওসমান হাদির ঘাতকদের বিষয়ে মেঘালয় পুলিশের অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মেঘালয় ফ্রন্টিয়ারের মহাপরিদর্শক ওপি উপাধ্যায় বাংলাদেশ পুলিশের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, হালুয়াঘাট সেক্টর দিয়ে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে ওই ব্যক্তিদের মেঘালয়ে প্রবেশের কোনও প্রমাণ নেই। বিএসএফ এমন কোনও ঘটনার সন্ধান পায়নি বা কোনো রিপোর্টও করেনি। এসব দাবি ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর।

তিনি বলেন, বিএসএফ কেবল যাচাইকৃত গোয়েন্দা তথ্য ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনা প্রোটোকলের ভিত্তিতেই কাজ করে। মেঘালয় পুলিশ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সীমান্ত নজরদারি জোরদার করেছে। গোয়েন্দা তৎপরতা সক্রিয় এবং সীমান্তপথ অপরাধীচক্রের সম্ভাব্য অপব্যবহার ঠেকাতে বিএসএফের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

মেঘালয় পুলিশ ও বিএসএফ বলেছে, তারা বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠিত আনুষ্ঠানিক চ্যানেলের মাধ্যমে যাচাইকৃত তথ্য ছাড়া কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে না। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!