এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও হংকং। ১১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এই ম্যাচ দিয়েই যাত্রা শুরু করবে টাইগার বাহিনী।

ধারে-ভারে হংকংয়ের চেয়ে ঢের এগিয়ে বাংলাদেশ। কিন্তু টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ছোট দলগুলোকেও হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। বিশেষ করে হংকং সম্প্রতি কাতার, ওমান ও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ধারাবাহিক ক্রিকেট খেলেছে, যেখান থেকে তারা আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে। যদিও আগের ম্যাচে আফগানদের বিপক্ষে বিধ্বস্ত হয়েছে হংকং। বাংলাদেশও চাইবে আফগানদের চেয়েও বেশি চড়াও হয়ে এবারের এশিয়া কাপে নিজেদের যাত্রা শুরু করতে চাইবেন লিটনরা। গ্রুপ ‘বি’-তে হংকংয়ের পর আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে টেক্কা দিয়েই সুপার ফোরে যেতে হবে তাসকিনদের।
হংকংয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ একাদশ সাজাতে পারে ৩ পেসার ও ২ স্পিনার নিয়ে। পেস আক্রমণের নেতৃত্ব দেবেন তাসকিন আহমেদ। সঙ্গে থাকতে পারেন মুস্তাফিজ ও তানজিম সাকিব। বাঁহাতি শরিফুল ইসলামের থেকে কিছুটা এগিয়ে রাখা হচ্ছে সাকিবকে সেমি-অলরাউন্ডার ভূমিকার কারণে। স্পিন আক্রমণে থাকতে পারেন রিশাদ হোসেন ও শেখ মেহেদী। টপ অর্ডারে তানজিদ তামিম ও পারভেজ ইমন ওপেন করতে পারেন। একাদশে আরও থাকার সম্ভাবনা তাওহিদ হৃদয়, শামীম হোসেন, জাকের আলীদের।

এখনকার বাংলাদেশি ব্যাটারদের ম্যাচপ্রতি ছক্কা মারার গড় ৭.৭৩। যেখানে ২০০৬ থেকে ২০২৩ পর্যন্তও ছিল ৩.৮১। পাওয়ার হিটিংয়ে জাকের-শামীররা যে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন, তা টানা ৩ সিরিজ জয়ের মধ্যেই ধরা পড়েছে।
৪ নম্বর পজিশনে আজ তাওহিদ হৃদয় আর সাইফ হাসানের মধ্যে কে নামেন, তা দেখার কৌতূহল থাকবে দর্শকের। যেহেতু আফগানিস্তান হংকংকে ৯৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে রানরেটে এগিয়ে আছে, তাই বাংলাদেশি ব্যাটারদেরও আজ এই ব্যাপারটি মাথায় রাখতে হবে। ব্যাটিংয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়লেও লিটনের এই ব্রিগেডের অন্যতম শক্তি বোলাররা। তাসকিনের মতো শুরুতেই উইকেট শিকারি বোলার যেমন তার হাতে রয়েছে, তেমনি ডেথ ওভারে ‘মুস্তাফিজ’ অস্ত্রও আছে। স্পিনে রিশাদের সঙ্গে শেখ মেহেদী। সব মিলিয়ে শুরুতেই একটা বড় ধামাকা দেখানোর অপেক্ষায় বাংলাদেশ দল।
সম্ভাব্য বাংলাদেশ একাদশ:
তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন, লিটন দাস, তাওহিদ হৃদয়, শামীম হোসেন, জাকের আলী, মেহেদী হাসান, তানজিম হাসান, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান।




