ads

সোমবার , ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ৩রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে ঔষধের দোকানে চাঞ্চল্যকর চুরির মামলায় শ্রমিক নেতা গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার
ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৪ ৮:১৬ অপরাহ্ণ

৪ জন গ্রেফতার ও বিপুল পরিমাণ চোরাই ঔষধ উদ্ধারে এলাকায় সন্তোষ

শেরপুর সদর উপজেলার ভীমগঞ্জ বাজারে ঔষধের দোকানে চাঞ্চল্যকর চুরির মামলায় ইমন ইসলাম পেরি (৩৫) নামে এক শ্রমিক নেতাকে চোরাই ঔষধসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ১৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার বিকেলে শহরের চকপাঠক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাশের একটি পরিত্যক্ত বাসা থেকে ১৩ বস্তা চোরাই ঔষধ উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত পেরি জেলা হালকা মোটরযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এবং চকপাঠক এলাকার বাসিন্দা। এর আগে ভিন্ন এলাকা থেকে চোরাই আরও ৫ বস্তা ঔষধ উদ্ধার করে পুলিশ। এছাড়া পুলিশের ব্যাপক তৎপরতায় এ মামলায় জড়িত সংক্রান্তে গ্রেফতারের দাঁড়ালো ৪ জনে।

Shamol Bangla Ads

সোমবার বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সাদ্দাম হোসেন ওই গ্রেফতার ও মালামাল উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃত ইমন ইসলাম পেরিকে ৫ দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পরে আদালত বুধবার রিমান্ড শুনানীর তারিখ ধার্যক্রমে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

জানা যায়, সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সদর উপজেলার খুনুয়া মধ্যপাড়া গ্রামের অধিবাসী এবং ভীমগঞ্জ বাজারের সেতু মেডিকেল হলের মালিক গোলাম মোস্তফার সাথে স্থানীয় একটি মহলের বিরোধ চলে আসছিল। এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষ তাকে দোকানটি ছেড়ে দিতে হুমকিসহ তাকে একটি মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়। ওই অবস্থায় ৩১ জানুয়ারি রাতে ওই ঔষধের দোকানের প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা মূল্যের সমস্ত ঔষধ চুরি করে নেয় দুর্বৃত্তরা। পরদিন সকালে ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

Shamol Bangla Ads

ওই ঘটনায় মোস্তফার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে সদর থানায় অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ সুপার মোনালিসা বেগম পিপিএমের নির্দেশে পুলিশ জোর তদন্তে নামে। মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা পার্শ্ববর্তী নিজআন্ধারিয়া এলাকার শ্যামল মিয়া (২৪) নামে একজনকে গ্রেফতার করে এবং আদালতে তার দেওয়া স্বীকারোক্তির তথ্য মোতাবেক ৫ বস্তা চোরাই ঔষধসহ আন্ধারিয়া কামারপাড়া এলাকার বাবু (২৮) ও খুনুয়া এলাকার সেতু মিয়া (২৪) নামে আরও ২ জনকে গ্রেফতার করে। সূত্র জানিয়েছে, রবিবার গ্রেফতার হওয়া শ্রমিক নেতা পেরির চালনাধীন হায়েস মাইক্রোতে ওই বিপুল পরিমাণ মূল্যবান চোরাই ঔষধ আনা হয়েছে।

এদিকে শেরপুরের পুলিশ সুপার মোনালিসা বেগম পিপিএমের কঠোর নির্দেশনায় এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমদাদুল হকের পরামর্শে থানা পুলিশ চাঞ্চল্যকর ওই ঔষধ চুরির মামলায় জড়িত সংক্রান্তে কয়েক দফায় ৪ জনকে গ্রেফতার এবং বিপুল পরিমাণ মূল্যবান চোরাই ঔষধ উদ্ধার হওয়ায় বাদীসহ এলাকার জনমনে স্বস্তি বিরাজ করছে। তবে তারা ওই ঘটনার নেপথ্য নায়ককে শনাক্ত ও গ্রেফতার দাবি করেছেন।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!