ঘড়ির কাঁটায় তখন ১টা বেজে ২১ মিনিট। ভাঙ্গা থেকে পদ্মা সেতুর উদ্দেশ্যে স্বপ্নের ট্রেন যাত্রা শুরু হয়। ২ ঘন্টায় ৪২ কি.মি পথ অতিক্রম করে দুপুর ২টায় সেতু পার হয়ে মাওয়া স্টেশনে পৌঁছায় ট্রেনটি। পথিমধ্যে শিবচর ও পদ্মা স্টেশনে দাঁড়ায় ট্রেনটি। স্বপ্নের ওই ট্রেনের প্রথম যাত্রী হিসেবে পদ্মা সেতু পার হন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। রেল যাত্রা উপলক্ষে পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তের ৪২ নম্বর ও মাওয়া প্রান্তের ১ নম্বর পিলারে আতশবাজি ফাটিয়ে উচ্ছ্বাস ও আনন্দ প্রকাশ করা হয়।

যাত্রা শুরু আগে রেলমন্ত্রী সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার স্বপ্ন একটা একটা করে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে তারই অংশ হিসেবে আজ ট্রায়াল ট্রেন চলছে। তিনি বলেন, আগামী সেপ্টেম্বরে ভাঙ্গা থেকে ঢাকা পর্যন্ত ট্রেন চলাচল করবে এবং সে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রেলমন্ত্রী আরও বলেন, আমরাই রেলকে যশোর পদ্ধতির নিয়ে যাব। তবে তার জন্য আমাদের ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
এর আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন প্রকল্পের ব্যবস্থআপক ব্রিগেডিআর সাইদ আহমেদ। তিনি বলেন, প্রকল্পের কাজ শুরু করতে আমাদের তিন মাস সময় দেরি হয়েছিল । তার পরেও সময় মতো কাজ শেষ করতে পারায় আমরা আনন্দিত। ইতিমধ্যে আমাদের এই অংশের কাজের ৯২ ভাগ শেষ হয়েছে। বাকি কাজ প্রকল্প মেয়াদ এর মধ্যে শেষ হয়ে যাবে।

দক্ষিণ বাংলার ২১ জেলার বাসিন্দাদের কাছে স্বপ্ন ছিল সেতু দিয়ে নদী পার হওয়ার। গত বছর ২৫ জুন শত বছরের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। মঙ্গলবার তার সাথে যোগাযোগের নতুন অধ্যায় রচিত হলো ট্রেন চালুর মাধ্যমে।
এসময় অন্যদের মধ্যে প্রাণিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, চিফ হুইপ নূর ই আলম চৌধুরী, সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু , নাহিম রাজ্জাক, সাগুপতা ইয়াসমিন এমিলি, আবদুস সোবহান গোলাপ ও মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল আহসান তালুকদার ও পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান।




