স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেরপুরের নকলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ৩ দিন যাবত জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ৪ জুলাই বৃহস্পতিবার রাতে তাকে ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার স্বাস্থ্য ভেঙে পড়েছে, ডান হাত ও মাথার ডান পাশ অবশ অবস্থায় রয়েছে এবং তিনি কথা বলতে পারছেন না। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি স্ট্রোক করে থাকতে পারেন।
এদিকে আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানকে দেখতে শুক্রবার রাতে জেলা সদর হাসপাতালে যান জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হুইপ আতিউর রহমান আতিক। ওইসময় তিনি মোস্তাফিজুর রহমানের শয্যার পাশে দাঁড়িয়ে তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করেন। সেইসাথে তার চিকিৎসা বিষয়ে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ নাদিম হাসানসহ অন্যান্যদের সাথে কথা বলেন। তার সাথে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুল ও জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি শোয়েব আহমেদ শাকিলসহ বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া শনিবার দুপুরে অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানকে হাসপাতালে দেখতে আসেন নকলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ, পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান লিটন, হাজী জাল মামুদ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ লুৎফর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান, বানেশ্বর্দী ইউপি চেয়ারম্যান মাজহারুল আনোয়ার মহব্বত, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক রফিকুল ইসলাম সোহেল, যুগ্ম আহবায়ক কামরুল আলম রঞ্জু ও রেজাউল করিম রিপনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ শনিবার দুপুরে শ্যামলবাংলা২৪ডটকমকে জানান, অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানের হাসপাতালে ভর্তির বিষয়টি জানা ছিল না। শুক্রবার রাতে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানার পর শনিবার দুপুরে দলীয় নেতৃবৃন্দকে নিয়ে তার সাথে সাক্ষাতসহ চিকিৎসা সংক্রান্তে খোঁজ-খবর নিয়েছি। এ বিষয়ে সাবেক কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরীর সাথে কথা বলেছি এবং তিনি নিজেও তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করেছেন। তার পরামর্শে অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানকে দ্রুতই ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।




