স্টাফ রিপোর্টার : তৃতীয় দফার আওতায় শেরপুর সদর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে চলছে ভোটগ্রহণ। ২৩ এপ্রিল শনিবার সকাল ৮ টা থেকে শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হয়েছে ওই ভোট গ্রহণ। ইউনিয়নগুলো হচ্ছে কামারেরচর, চরশেরপুর, লছমনপুর, চরমোচারিয়া, চরপক্ষীমারী ও বলাইরচর। ওই ৬টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র্রসহ ৩১ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী ২শ ১৯ জন সাধারণ মেম্বার প্রার্থী ও ৬৯ জন সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ওই ইউনিয়নগুলো মোট ভোটার রয়েছে ১ লক্ষ ৩১ হাজার ৫শ ১৭ জন। আর কেন্দ্র রয়েছে ৬৭টি। নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষায় পুলিশ, র্যাব, আর্মড পুলিশ, বিজিবি ও আনসারসহ ১ হাজার ৪শ ৮৫জন সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন। এছাড়া টহলে রয়েছে ১১টি ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এদিকে সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে চরশেরপুর ইউনিয়নের বামনের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, পুরুষের পাশাপাশি নারী ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি। সবাই সারিবদ্ধভাবে লাইনে দাড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন। ওইসময় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মোঃ মুহসীন আলী আকন্দের সাথে কথা বলে জানা যায়, নারী-পুরুষ মিলে ২ হাজার ৭শ ৭৩ ভোটের মধ্যে তখন পর্যন্ত ভোট চলছিল ৮ শতাধিক। একই সময়ে কেন্দ্রের চারপাশে দেখা যায়, বহিরাগত যুবকদের ভিড়। তাদের কাউকে কাউকে কেন্দ্রের চৌহদ্দির মধ্যে অবাধে ঘুরাফেরা করতেও দেখা যায়। বেলা ১১টার দিকে নাগপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়েও দেখা যায় প্রায় একই অবস্থা। তখন পর্যন্ত ৩ হাজার ২শ ৮৫ ভোটের মধ্যে ভাট পড়েছে প্রায় ৯শ। দুপুরে কামারেরচর ইউনিয়নের কামারেরচর উচ্চ বিদ্যালয়, চরমোচারিয়া ইউনিয়নের চরভাবনা ও মুকসুদপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটাররা সারিবদ্ধভাবে লাইনে ভোট দিলেও মাছপাড়া এলাকায় চরমোচারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, চরম বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনা। সেখানে ভোটারদের কোন লাইনই নেই। পুলিশ-আনসার নির্বিকার। কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার প্রভাষক সালেহ আহমেদ হেলালী ক্রমিক নং উল্লেখ করে ভোটারদের ডাকছেন।




