স্টাফ রিপোর্টার : শেরপুরের মধুটিলা ইকোপার্কে নববধুর শ্লীলতাহানি ও চাঁদা দাবি করে না পেয়ে ইন্টারনেটে অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার চাঞ্চল্যকর মামলায় যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। ১৯ অক্টোবর সোমবার বিকেলে শেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামীপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. সায়েদুর রহমান খান আগামী ৩ নভেম্বর রায়ের দিন ঘোষনা করেন। এদিন জামিনে থাকা আসামী ওই নববধুর স্বামী নজরুল ইসলাম বুলবুল আদালতে হাজির হলে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। মামলার অপর ৪ আসামী আগে থেকেই কারাগারে রয়েছে।
যুক্তিতর্ক শেষে শেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি এডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু বলেন, চাঞ্চল্যকর ওই মামলায় ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ আশা করছে, আসামীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে। অন্যদিকে আসামী পক্ষের দাবি, নববধূ স্বামী নজরুল ইসলাম বুলবুল ও ইকোপার্কের কর্মচারী গোলাম মোস্তফার ষড়যন্ত্রের শিকার।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৭ জুলাই নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কে স্বামীর সাথে বেড়াতে যাওয়া ওই নববধুকে বখাটেরা অস্ত্রের মুখে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানি করে মোবাইল ফোনে অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে। পরে ওই নববধুর পরিবারের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে না পেয়ে বখাটেরা মোবাইলে ব্লুট্রুথ ও ইন্টারনেটে সেই অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে দেয়। চাঞ্চল্যকর ওই ঘটনায় নববধূ বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফী নিয়ন্ত্রন আইনে নালিতাবাড়ী থানায় দু’টি পৃথক মামলা দায়ের করে। চাঞ্চল্যকর ওই ঘটনায় তদন্ত শেষে পুলিশ সংশ্লিষ্ট আইনে নববধূর স্বামী নজরুল ইসলাম বুলবুল ও ইকোপার্কের কর্মচারী গোলাম মোস্তফাসহ ৫ আসামীর বিরুদ্ধে গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর আদালতে পৃথক দু’টি অভিযোগপত্র দাখিল করে।




