ads

বৃহস্পতিবার , ২০ নভেম্বর ২০১৪ | ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

৪৬ বছরেও মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়ন হয়নি : পরিবেশ ও বনমন্ত্রী

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
নভেম্বর ২০, ২০১৪ ২:৫৯ অপরাহ্ণ

Anwar Hossen Monjuভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধিঃ পরিবেশ ও বন মন্ত্রী, জাতীয় পার্টি (জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেন, স্বাধীনতার ৪৬ বছর পেরিয়ে আজ ১৬ কোটি মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে ব্যর্থ হই, যদি দেশের মানুষের কর্মসংস্থান, বাসস্থান, ভাগ্য উন্নয়নে ব্যর্থ হই এবং আপনাদের প্রতি সহানুভূতি, শ্রদ্ধা যদি সরকারের পথ দিয়েই সীমাবদ্ধ থাকে তবে সেই স্বাধীনতা আপনারাও চাননি, যারা যুদ্ধ করেছেন, যুদ্ধে অংশগ্রহনে পরিবেশ সৃষ্টি করেছে এবং পাকিস্তানের শাসন থেকে বেরিয়ে এসে একটি সুন্দর আবাসস্তল গড়ার যে স্বপ্ন ছিল তা ভেঙ্গে যাবে। ১৯ নভেম্বর বুধবার দুপুরে উপজেলা অডিটরিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার জন্য আর্থিক অনুদানের চেক, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যাক্তি, প্রতিষ্ঠানের মাঝে ত্রাণের ঢেউটিন বিতরন কালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দ্যেশে আরো বলেন, যদি আল্লাহ তায়ালা হায়াত দেয় এবং একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ক্ষমতা হস্তান্তরিত হয় তখন দেখা যাবে আরেকটি তালিকা সৃষ্টি হয়েছে। ৪৬ বছর পর্যন্ত আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের একটি তালিকা প্রনয়ণ করতে পারি নাই। আপনাদের দেশ সম্পর্কেও ভাবতে হবে। ৪৬ বছর পরে আমাদের প্রশাসনে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ে সরকারের সুযোগ সুবিধা নিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের রাজনীতি আজ কত ভাগে বিভক্ত তা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনই জানেন। তবে, দুই দল ও পরাজিত শক্তি মিলে আজ তিন ভাগে বিভক্ত আমাদের রাজনীতি। উপস্থিত জনগনের উদ্যেশে বলেন, কোটি কোট টাকা খরচ করে রাস্তা তৈরী হলেও সে রাস্তায় এখন গর্ত হয়ে গেছে। টিআর দেয়, কাবিটা দেয়. কাবিখা দেয়, জিআর দেয় কিন্তু দুই চাকা মাটি দিয়ে কোটি টাকার রাস্তা রক্ষনাবেক্ষন করতে হয়। আজ যে ভবনে দাড়িয়ে বক্তব্য দিচ্ছি এ জায়গা ছিলনা, করা হয়েছে। আমি অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে তাকিয়ে ভাবি, এ ভবনটি আনার জন্য কত কাঠখড় আমাকে পোহাতে হয়েছে, কিন্তু যাদের জন্য করেছি তারা এটার যতœ নিতে পরে না, যতœ নেয় না, সেটাও ঢাকায় বসে আমাকে বলতে হবে। যারা রাষ্ট্র পরিচালনা করেন তাদের ব্যাথিত করেন। আমি কাউকে বলিনাই যে, এটা ব্যক্তিগত সম্পদ দিয়ে মেরামত করেননি কেন? সরকারের টাকা দিয়েই তো করতে পারতেন।
তিনি আরো বলেন, ৪০ কোটি টাকা ব্যায়ে উপজেলা ভবন তৈরী হবে ইনশাআল্লাহ, চরখালী ভেঙ্গে যাচ্ছে, ১০ কোটি দেয়া হয়েছে, শোনা যাচ্ছে ব্লক ফেলা হয়নি, তৈরী হচ্ছে। এ হল অবস্থা। এর একটি সময় সীমা আছে, সময়ের মধ্যে করতে হবে। আগামী ডিসেম্বরে দীর্ঘ সময় বিদেশে অবস্থান করব, কে জানতে চাইবে ব্লক ফেলা হয়েছে কি?
ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী মাহাবুবুর রশিদের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম উজ্জল তালুকদার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস আসমা আক্তার, সদর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম সারওয়ার জোমাদ্দার, ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান টুলু, মশিউর রহমান মৃধা, তানভির হোসেন বাবু, বদিউজ্জামান টিপু, মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার আজিজ সিকদার, এম,এ রাব্বানি ফিরোজ, মতিন খান, আলী বাহাদুর প্রমুখ।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!