এস,কে সিরাজ শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) : ২০০৯ সালের ২৫ মে ভয়াবহ আইলার তান্ডবে সাতক্ষীরার শ্যামনগর লন্ডভন্ড হয়ে পড়লে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার সাধারণ মানুষ ও জন প্রতিনিধি সহ সকল শ্রেনীর মানুষের সহযোগিতা নিয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক হিসাবে দায়িত্ব থাকাকালীন সময়ে দিনরাত কাজ করেছি। সেই সময় থেকে শ্যামনগর উপজেলাটি আমার কাছে অতি পরিচিত। এ উপজেলায় আমার পদার্পন সবচেয়ে বেশী। বর্তমানে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের দায়িত্ব নিয়েই প্রথমেই ছুটে এসেছি সেই সুন্দরবন উপকুলীয় শ্যামনগর উপজেলায়। এখানের সার্বিক সমস্যা, উন্নয়ন ও কি ধরণের কাজ করলে এ এলাকার পরিচিতি বৃদ্ধি পায় সেটিই আমি করবো। সুন্দরবনকে ঘিরে এখানে পর্যটন শিল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। আমি সম্ভাবনাময় সকল সুযোগকে কাজে লাগিয়ে শ্যামনগরের উন্নয়নে আন্তরিক ভাবে কাজ করতে চাই। কাজের মধ্যে মানুষের পরিচিতি। সকলের সহযোগিতা নিয়ে এ অঞ্চলের সকল সমস্যা দূর করে সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে ডিজিটাল বাংলার স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিতে চাই। বিভাগীয় কমিশনার ও অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ গতকাল শুক্রবার বিকাল ৩ টায় শ্যামনগর উপজেলা মিলনায়তনে এক মত বিনিময় সভায় এ কথা গুলো বলেন।
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফারুক আহম্মেদ এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অথিতি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোঃ নাজমুল আহসান। এ সময় সকল সরকারি কর্মকর্তা, জন প্রতিনিধিগণ, বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, থানা প্রশাসন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, সাংবাদিকবৃন্দ, ব্যবসায়িক বৃন্দ, মসজিদের ইমাম সহ স্থানীয় সুধী মহল মতবিনিময় সভায় অংশ গ্রহণ করেন। এ অঞ্চলের সকল সমস্যার কথা উল্লেখ করে বক্তব্য রাখেন রেডিও নলতার প্রতিনিধি ফারুক হোসেন, ঈশ্বরীপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাদেকুর রহমান সাদেম, প্রেস ক্লাব সভাপতি আকবর কবীর, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এস.এম আফজালুল হক, অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার দেবী রঞ্জন মন্ডল, ইউপি সদস্য এস,কে সিরাজ প্রমুখ। প্রধান অতিথি সকলের বক্তব্য ধৈয্য সহকারে শোনেন এবং সার্বিক সমস্যা সমাধানে সকলের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করার আশ্বাস দেন। মতবিনিময় সভা শেষে তিনি সুন্দরবন ঘেষা বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্থ পাউবো বেঁড়ীবাঁধ সরেজমিনে পরিদর্শনে যান।




