শ্যামলবাংলা ডেস্ক : ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হককে গুলি করে ও গাড়িতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন ২৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহাবুব মোরশেদ জানান, ২০ মে মঙ্গলবার রাতভর শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এর আগে একরামুল হককে গুলি করে ও পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে নিহতের ভাই রেজাউল হক জসিম বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় বিএনপির নেতা মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী ওরফে মিনারের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৩৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বুধবার সকাল ৯টায় ফেনী শহরের মিজান ময়দানে চেয়ারম্যান একরামুল হকের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরপর সকালে সাড়ে ১০টায় ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার পাইলট হাইস্কুল মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বন্ধুয়া এলাকায় একরামের নিজ বাড়িতে তৃতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ফেনী শহরের ব্যস্ততম একাডেমি সড়কে দুর্বৃত্তরা উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা একরামুল হককে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর পর তাকে বহনকারী গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই পুড়ে মারা যান তিনি। একই সময় একরামের গাড়িতে আরও ৪ জনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে সন্ত্রাসীরা। তারা হলেন সাংবাদিক মহিবুল্লাহ ফরহাদ, ফুলগাজী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান একেএম মহিউদ্দিন (৬০), একরামের সমর্থক হোসেন (২৮) ও গাড়িচালক মামুন (৩০)।




