ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : আটক ৮ শ্রমিক মুক্তির দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারের (এসপি ) বাসভবন ও কার্যালয় ঘেরাও করে রেখেছে শতাধিক ভারি যানবাহন দিয়ে পরিবহন শ্রমিকরা। ১৫ মে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বিভিন্ন রুটের ট্রাক-বাস-লরি দিয়ে ঘেরাও করে রেখেছে তারা। এ ছাড়া ঠাকুরগাঁওয়ে সঙ্গে সারা দেশের যোগাযোগ বিছিন্ন করে দিয়েছে বিক্ষুদ্ধ শ্রমিকরা।

ফলে জণগণ সীমাহীন দূর্ভোগে পড়েছে।
এ ব্যাপারে মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জব্বার ও ট্রাক-ট্যাংলড়ি শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা ভুট্টু মিঞা জানান, আটক শ্রমিকদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে তা না হলে এ কর্মসূচি অনির্দিষ্ট কালের জন্য অব্যাহত থাকবে।
এদিকে, ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার ফয়সল মাহমুদ জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্র্রয়াজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় ঠাকুরগাঁও বাস টার্মিনালের সামনের মহাসড়ক থেকে চাঁদাবাজি ও জুয়া খেলার অভিযোগে ৮ পরিবহন শ্রমিককে আটক করে পুলিশ। অন্য দিকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন বলেন,জেলা প্রশাসককে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলা হয়েছে।
এর প্রতিবাদে বুধবার রাত ১২টা থেকে ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড়-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে ট্রাক, ট্যাংক-লড়ি ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা।বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৮টা পর্যন্ত অবোরাধের কারণে মহাসড়কের উভয়পাশে অন্তত দুই কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়ে।
আটকরা হলেন, ঠাকুরগাঁও ট্রাক ট্যাংক-লড়ি শ্রমিক আব্দুস সামাদ, আব্দুল হাকিম, আতিকুল ইসলাম এবং দিনাজপুর শ্রমিক ইউনিয়নের সোহেল রানা, গাজীউল ইসলাম, হাবিব, জাফর হোসেন ও মাসুম। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রাত ৮ টা পর্যন্ত পুরো ঠাকুরগাঁও অবরুদ্ধ ছিল।




