ads

শুক্রবার , ২৫ এপ্রিল ২০১৪ | ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

পেকুয়ায় শিক্ষকের বেত্রাঘাতে ছাত্র আহত

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ২৫, ২০১৪ ১:৪২ অপরাহ্ণ
পেকুয়ায় শিক্ষকের বেত্রাঘাতে ছাত্র আহত

এম.আবদুল্লাহ আনসারী, পেকুয়া (কক্সবাজার) : পেকুয়া জিএমসি ইনষ্টিটিউশনের কয়েকজন ছাত্রকে এক শিক্ষক বেত্রাঘাত করে নির্মমভাবে আহত করার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ২৩ এপ্রিল বুধবার সকালে ওই ঘটনা ঘটে।

Shamol Bangla Ads

জানা যায়, বুধবার সকাল ৯টার সময় বিদ্যালয়ের এ্যাসেম্বলি ক্লাস শুরু হলে কয়েকজন ছাত্রের নিজেদের মধ্যে সামান্য দুষ্টুমির সুত্রধরে ওই বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আশরাফ উদ্দিন সাগর বেত দিয়ে বেদম প্রহার করে। এসময় ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্র আরিফ শাহরিয়ার রাফি গুরুতর আহত হয়। একপর্যায়ে ওই ছাত্রের মুখে রক্তাক্ত জখম হলে ও অন্যান্য ছাত্রদের শরির দিয়ে রক্ত ঝরলে সবার মাঝে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। গুরুতর আহত ছাত্র রাফির পিতা ্অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম বলেন, এব্যাপারে বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করলে তার ছেলের কোন ধরনের দুষ্টুমি করে নাই এবং নিরপরাধ বলে জানান। তিনি আরো বলেন, তার ছেলেকে এ ভাবে পিঠানোর পর ও ওই শিক্ষক কোন সৌজন্যবোধ দেখায়নি এবং কোন ধরনের অনুপপ্ত বোধ করেননি। তিনি এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষককে অবহিত করেছেন। তিনি উক্ত ব্যাপারে বিহীত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানান। এ ব্যাপারে মামলা করবেন বলে সাংবাদিকদের জানান। এ ব্যপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এনামুল হক চৌধুরী জানান, তিনি বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কয়েকজন ছাত্র ও শিক্ষকের সাথে কথা বলে জানাযায়, ওই শিক্ষক মাঝে মাঝে ওত্তেজিত ঘটনার জন্ম দিয়ে স্কুলের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলেন। সব সময় ছাত্র অভিভাবকদের সাথে অসৈজন্যমুলক আচরণ করে থাকেন বলেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।

শিলখালীতে সন্ত্রাসীদের গণধোলাই দেয়ার জের : কাচারীমোড়া ষ্টেশনে দোকান ভাংচুর, ২লক্ষ টাকার মালামাল লুট

পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের কাচারীমোড়া ষ্টেশনে মার্কেট জবর দখল করতে এসে দুসন্ত্রাসীকে গণধোলাই দেয়ার ঘটনার জের ধরে গণধোলাইয়ের শিকার ডাকাত সাহাবউদ্দিনের নেতৃত্বে দিনদুপুরে একটি ফার্ণিচারের দোকানে অতর্কিত হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও ২লক্ষ টাকার মালামাল লুট করা হয়েছে। জানা যায়, ২৩ এপ্রিল দুপুর আড়াইটার দিকে জনৈক ডাকাত শাহাব উদ্দিন, মোহছেন আলীর নেতৃত্বে ২০/৩০ জনের স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীদল দোকানে কেউ না থাকা অবস্থায় দোকানের তালা ভেঙ্গে ঢুকে মনুজুর আলমের ভাইপো আবু তাহেরের মালিকানাধীন ফার্ণিচারের দোকানে হামলা ও লুটপাট চালায়। দোকানের মালিক আবু তাহের জানান, তারা দোকানের চেয়ার, টেবিল, খাট, ফার্ণিচার তৈরির যন্ত্রপাতিসহ প্রায় দুই লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে দোকানের মালিক পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুর রহমানকে অভিযোগ দায়ের করলে তিনি তদন্তে যাবেন বলে জানান। ব্যবসায়ীরা জানান, যে মার্কেটের দখল বেদখল নিয়ে বারবাকিয়ার পাহাড়িয়াখালীর মইদু ও সাহাব উদ্দিন সহ কয়েক জনকে মারধর করে আহত করেছে সে ঘটনার সাথে সাধারণ ব্যবসায়ীদের কোন সম্পর্ক নেই অথচ হামলার শিকার সন্ত্রাসীরা দফায় দফায় কাচারী মুড়া ষ্টেশনে এসে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করায় তাদের ব্যবসা বাণিজ্য অনেকটা বন্ধ হয়ে গেছে। জানাযায়, ওই ষ্টেশনের একটি মার্কেটের দখল বেদখল নিয়ে স্থানীয় পারভিন আকতার বুড়ি ও মার্কেটের বর্তমান দখলদার প্রবাসী শামশুর সাথে বিরোধের জেরধরে ২১ এপ্রিল বুড়ি নামক ওই মহিলার পক্ষে মার্কেটটি দখল করতে এসে আওয়ামীলীগ নেতা ছাদেকুর রহমান ওয়ারেচীর বড় ছেলে শহিদ, ডাকাত মইদু, ডাকাত সাহাব উদ্দিন সহ কয়েকজন স্থানীয়দের হামলার শিকার হয়। এ ঘটনায় ২২ এপ্রিল ডাকাত মইদুর স্ত্রী হাছিনা বাদী হয়ে শিলখালী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড় বি.এন.পির সভাপতি মৌলভী মঞ্জুরকে ১ নং আসামী, শিলখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হোছাইনকে ১৪ নং ও টইটং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউপি সদস্য শাহাদত হোসেন সহ অসংখ্য বি.এন.পি ও অঙ্গ সংগঠনের নিরপরাধ নেতাকর্মীদের আসামী করে মামলা দায়ের করেন। যার নং-১১। স্থানীয় লোকজন বলেন, মার্কেট দখলের ঘটনায় সৃষ্ট সংঘর্ষের পরবর্তী সময়ে বার বার মহড়া ও লুটপাট করায় আবার উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে যে কোন সময় আবারো রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনারও আশংকা করছে স্থানীয় লোকজন।

পেকুয়া বাজারে ব্যবসা-বাণিজ্যে ধ্বস,
ক্রেতাবিক্রেতা শূণ্য বাজারে লোকসানের মুখে ইজারাদার

Shamol Bangla Ads

পেকুয়া উপজেলার প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরী বাজারটি উপক’লের মানুষের কাছে কবির মিয়া হাট নামে পরিচিত। সপ্তাহ দুয়েক ধরে চিহ্নিত অস্ত্রধারী ও সন্ত্রাসীদের আনাগোনা ও ইজারাদারকে বাজার থেকে হঠানো প্রকাশ্য ঘোষনায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকায় প্রতিনিয়ত উত্তেজনা বিরাজ থাকায় ব্যবসায়ীরা দোকান পাট কম খোলে ও সাপ্তাহিক সওদার সওদাগররা দুরদুরান্ত থেকে এখন পেকুয়া বাজারে তেমন আসেনা। প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্রেতারাও বাজারে আসতে সাহস করছেনা। এমন পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরা তাদের কাংখিত ব্যবসা করতে পারছেনা বলে অভিযোগ তুলেছেন। পাশাপাশি ইজারাদাররাও কাংকিত টোল আদায় করতে না পেরে ব্যাপক ক্ষতির আশংকায় রয়েছেন। ফলে ঐতিহ্যবাহী পেকুয়ার আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরী বাজারের দীর্ঘদিনের জমজমাট ব্যবসা-বাণিজ্যে ধ্বস নেমে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ছোটবড় ব্যবসায়ী ও ইজারাদার। স্থানীয় প্রশাসন বা নেতৃস্থানীয় কেউ সৃষ্ট সংকট ও অনিশ্চয়তার অবসানে কেউ এগিয়ে আসছেন না বলে অভিযোগ করে এলাকাবাসী বলাবলী করছেন পেকুয়ার ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ পরিবেশ বজায় রাখতে দায়িত্ব যেন কারো নেই বলে মন্তব্য করছেন। জানা যায়, পেকুয়ার আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরী বাজার কবির মিয়ার হাট নামে সর্বত্র ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। সপ্তাহে শনি ও মঙ্গলবার দিন হাটটির নির্ধারিত বাজারবার। উপজেলার প্রধান এ বাণিজ্যিক কেন্দ্রে রয়েছে হাজার হাজার ব্যবসায়ী। রয়েছে হরেক রকম পণ্যসামগ্রীর সম্ভার। জেলার উপকূলীয় এলাকা চকরিয়া, পেকুয়া, মহেশখালী, বাশঁখালী থেকে শুরু করে দূর দূরান্তের সাধারণ জনগন ও ধনী ব্যক্তিরা আসেন এখানে নিয়মিত ব্যবসা এবং সদায় করতে। অথচ আজ সেই বাজারের করুণ অবস্থা। ভয় যেন তাদের পিছু ছাড়ছেনা। যে কোন মূহর্তে হামলা ও লুটপাটের আশংকা ব্যবসায়ীদের মাঝে। যার কারণে চরম আতংকে কাটছে তাদের জীবনও। কোটি কোটি টাকা খরচ করে বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসা করতে আসা ব্যবসায়ীরা দোকান পাট বন্ধ করে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। অন্যদিকে দোকানপাট বন্ধ থাকায় লাখ লাখ টাকা লোকসানের ফাঁদে পড়ে ব্যবসায়ীরা এখন প্রায় সর্বশান্ত হওয়ার উপক্রম হয়েছে। দোকানের কর্মচারীর বেতন চালাতে হচ্ছে রক্ষিত সঞ্চয় থেকে। বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারী দল আওয়ামীলীগের ব্যানারে নেতৃস্থানীয়রা বাজারের দিনে উদ্দেশ্যহীন ভাবে তাদের বর্ধিতসভা আহবান করে এলাকার চিহ্নিত সশস্ত্র লোকজন নিয়ে বিক্ষোভ মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচী পালন অব্যাহত রাখায় প্রশাসন বিপাকে ও ব্যবসায়ীরা আরো বেশি আতংকের মাঝে পড়েছেন। পেকুয়া বাজারের ব্যবসায়ী কাইছার, আনছার, জয়নাল, জামালসহ অনেক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ প্রতিবেদককে জানান, দীর্ঘদিন ধরে একদল সন্ত্রাসী বাজারের ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার প্রয়াসে মেতে উঠেছেন। তারা বিভিন্ন সময় গুলিসহ অস্ত্রবহন করে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসাধারণের সামনে প্রকাশ্যে দাপিয়ে বেড়ানোর পাশাপাশি হাসিল আদায়কে কেন্দ্র করে প্রভাব বিস্তারের অপচেষ্টা শুরু করে আসছিল। তাদেরকে ভয়ভীতির পাশাপাশি বর্তমান বাজারের ইজারাদারকে টোল আদায় না করার নিয়মিত বিভিন্ন হুমকি প্রদর্শন করছেন বলে অভিযোগ তুলেন। গত ১৯ এপ্রিল শনিবার (হাটের দিন) সরজমিন পরিদর্শন গিয়ে দেখা গেছে বাজারে সরকারী দলের ব্যানারে বিভিন্ন শ্লোগানে মুখরিত করে রাস্তা ফুটপাত এমনকি ব্যবসা প্রতিষ্টানের সামনে দিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করছে। আর তাদের এ কর্মসূচীর কারণে বাজারে আসা ছোটবড় ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে খুচরা ব্যবসায়ীরাও আতংকে দোকানপাট বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। অন্যদিকে বাজারে আসা সাধারণ ক্রেতারাও অজানা আতংকে দিকবিদ্বিক ছুটাছুটি করে প্রাণ ভয়ে চলে যেতে বাধ্য হওয়ায় মূহুর্তে জনাকীর্ণ বাজারটি হয়ে পড়ে জনশূন্য। এছাড়া লুটপাটের আশংকায় বড় বড় দোকানপাটের মালিকরা অধিকাংশ সময় তাদের দোকানপাট বন্ধ রাখতে বাধ্য হওয়ায় দিনদিন বাজারটি হয়ে পড়ছে ব্যবসা ও ক্রেতা শূন্য। বর্তমানে কয়েকজন খুচরা ব্যবসায়ী জীবন ঝুকি নিয়ে তাদের ব্যবসা চালিয়ে গেলেও তারাও আতংকে যথারীতি বেচা বিক্রি করতে অনীহা প্রকাশ করছেন। এ নিয়ে হকার ব্যবসায়ীরাও রয়েছেন চরম বিপাকে। স্বল্প পুজি নিয়ে দিনের আয় দিয়ে যাদের সংসার চলে তারাও রয়েছেন দোকানপাট খোলা রেখে ঘুমের মধ্যে। অথচ শনিবার হাটের দিনে গরু, ছাগল, হাস, মুরগীরসহ তরিতরকারীতে ভরপুর থাকে বাজারে। বড় বড় ব্যবসায়ীদের দিনে বিক্রি হয় কয়েক লাখ টাকার। কিন্তু সেই বাজারে নেই মানুষ নেই বেচা বিক্রি। অন্যদিকে সরকারকে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব দিয়ে ইজারাদার বাজারটি নিলাম নিলেও লোকসানের আশংকায় বিপাকে পড়েছেন। ছোটবড় খুচরা ব্যবসায়ীরা হামলা ও গুলাগুলির ভয়ে বাজারে ব্যবসা করতে না আসায় প্রতিদিন গচ্ছা দিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা। এই বিষয়ে বাজারের চলতি বছরের ইজারাদার যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম জানান, সরকারের নিলাম ডাকে নির্ধারিত ২৭ লাখ টাকার বিনিময়ে গত কিছুদিন আগে এক বছরের জন্য তিনি সরকার থেকে বাজারটি ইজারা পান। বাজার বুঝে নেওয়ার পর থেকেই সরকারদলীয় নামধারী কিছু ক্যাডার দিনরাত বৈধ ইজারাদারকে হাসিল না দেওয়ার জন্য লাগামহীন ভাবে ব্যবসায়ীদের হুমকি দেওয়ায় তারা বাজারে ব্যবসা করতে পারছেননা। তাছাড়া আধিপত্য বিস্তারে ব্যস্ত কথিত নেতাদের প্রভাবে সাধারণ ক্রেতা বিক্রেতারা বাজারে আসতে সংকোচ বোধ করায় ইজারাদারেরও লোকসান হচ্ছে প্রতিদিন। সবমিলিয়ে বাজারের পরিবেশ স্থীতিশীল রাখতে ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তায় দাগী সন্ত্রাসী ও ডাকাতদের আইনের আওতায় আনতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ইজারাদার ও ক্রেতা-বিক্রেতারা। এই বিষয়ে জানতে চাইলে পেকুয়া থানার ওসি হাবিবুর রহমান জানান, বাজারের সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। বর্তমান ইজারাদার নিয়ম অনুসারে বৈধ ইজারাদার। তার বিরুদ্ধে অবৈধ হস্তক্ষেপ করলে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!