ads

সোমবার , ২১ এপ্রিল ২০১৪ | ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

খানসামায় একটি ব্রিজের অভাবে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ২১, ২০১৪ ৭:১৭ অপরাহ্ণ

Basher Sakoএম, এ করিম মিষ্টার, নীলফামারী : মানুষের মৌলিক চাহিদার অন্যতম হলো শিক্ষা, স্বাস্থ্য আর খাদ্য। তাই এসব চাহিদা পূরণ করে সুস্থ জীবনধারা সন্ধানে মানুষকে ছুটতে হয় নানা জায়গায়। আর তা যদি আটকে থাকে মাত্র একটি ব্রিজের কারণে। তাহলে মানুষের জীবনধারাটাই আটকে পড়ে। ঠিক এমটিই ঘটেছে নীলফামারীর সৈয়দপুরের পার্শ্ববর্তী খানসামার গছাহার, গোয়ালডিহি ও দুবলিয়া গ্রামের মানুষের ভাগ্যে। ওই এলাকার প্রায় সাড়ে তিন হাজার পরিবারের লোকজনসহ হাজার পথচারী আর স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের একমাত্র যাতায়াতের রাস্তা ইছামতি নদীন সাঁকোরপাড়। স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময় থেকে ওই স্থান দিয়ে নৌকায় করে লোকজন যাতায়াত করতো। পরে কালের ধারায় নৌকার পরিবর্তে স্থানীয় উদ্যোগে নির্মিত হয় একটি অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো। ফলে ওই সাঁকো দিয়ে এলাকাবাসী আর পথচারীদের যাতায়াত ক্রমে বেড়ে যায় এবং নদীর ধারে ঘন জনবসতি গড়ে উঠে।

Shamol Bangla Ads

সাঁকোরপাড়ের সত্তরোর্ধ হারিমামুন শাহ, নছিমুদ্দিন, বাচ্চা ভায়া ও অছুরত ঢাঙ্গাসহ অনেকের সাথে কথা বলে জানা যায়, অনেক আগে ওই এলাকার মানুষের সওদাপাতি বেচাকেনা করতে চড়কডাঙ্গা ও পীরের হাট নামে দুটি নামকরা হাট নিয়মিতভাবে চালু ছিল। কিন্ত ইছামত নদী পাড়াপারে ভীষণ অসুবিধা হওয়ায় হাট দুটি এখন বিলুপ্ত হয়ে গেছে। তবে তার পরিবর্তে সাঁকোর পশ্চিম পাড়ের লোকজন বটতলি বাজার এবং পূর্ব পাড়ের লোকজন লালদীঘি নামক স্থানে পৃথক দুটি বাজার শুরু করেছে। শিক্ষা বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন, সাঁকোরপাড় এলাকার ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া করাতে ১৯৭২ সালে চড়কডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৯৮২ সালে সাঁকোটির নামানুসারে সাঁকোরপাড় আকবর আলী শাহ সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা, ১৯৮৮ সালে চড়কডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় এবং গোয়ালডিহি দুবলিয়া সীমান্তবর্তী গছাহার গ্রামে ১৯৯১ সালে পীরেরহাট প্রাথমিক বিদ্যালয় নামে আরেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করা হয়। এছাড়া গরিব নারী ও শিশুদের চিকিৎসা সেবা দিতে ১৯৯৮ সালে লালদীঘি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করা হয়। কিন্ত এসব প্রতিষ্ঠান হলেও মাত্র একটি ব্রিজের অভাবে ভাঙ্গা সাঁকোর নিচ দিয়ে ওই এলাকার হাজার হাজার মানুষ ও শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগে চলাচল করতে দেখা গেছে। তারা পণ্য সদাই ক্রয় করতে পশ্চিমপাড়ের বিখ্যাত পাকেরহাট ও রানীরবন্দরে যাতায়াত করে। এয়াড়াও সারাবছর নদী পার হয়ে দুবলিয়া ও গছাহার গ্রামের প্রায় কয়েকশ’ শিক্ষার্থী পূর্বপাড়ের সাঁকোরপাড় মাদ্রাসা এবং বাংলাভাষা কলেজে আর পশ্চিম পাড়ের প্রায় আড়াইশ’ শিক্ষার্থী পূর্বপাড়ের চড়কডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পীরেরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াত করে। একইভাবে মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত লালদীঘি ক্লিনিকে গর্ভবতী মহিলাদের নিয়ে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগের শিকার হন সাধারণ মানুষ।
অপরদিকে অধিক চলাচল আর রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে নষ্ট সাঁকো পাড়াপার হতে গিয়ে বিভিন্ন সময় ওই এলাকার ব্যবসায়ী আব্দুল মজিদ, সিরাজুল ইসলাম, বাবলু রহমান, আজাদ আলী, শিক্ষক মোহাম্মদ আলী চিকিৎসক আব্দুস সালাম, ডা. আকবর আলী, ইউপি সদস্য গনেশ চন্দ্র, সার্ভেয়ার শওকত আলী সরকার, ভ্যান চালক এনামুল হক, ছকেত আলী এবং মোটর সাইকেল াারোহী গোলাম রব্বানী গুরুতর আহত হন। বর্তমানে এলাকাবাসী সাঁকোর জায়গাটিতে একটি ব্রিজ নির্মাণ করে যাতায়াত সমস্যার সমাধান করে দিতে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। সাঁকোরপাড় আকবর আলী শাহ মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, চড়কডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ময়জুল ইসলাম বাচ্চু, পীরেরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুর্গাচরণ রায় জানান, বর্ষার পানিতে এবং অধিক চলাচলের কারণে সাঁকোটি বারবার ভেঙ্গে যায়। তাই ভাঙ্গা সাঁকো দিয়ে নদী পার হয়ে শিক্ষার্থীদের যাওয়া- আসা করতে ভীষণ কষ্ট হয়। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন লিটন জানান, গুরুত্বপূর্ণ ওই স্থানটিতে একটি ব্রিজের ব্যবস্থা করতে আমি জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। আশা রাখি সমাধান হয়ে যেতে পারে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!