ads

বুধবার , ২ এপ্রিল ২০১৪ | ১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

অতীতের চেয়ে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে : ওবায়দুল কাদের

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ২, ২০১৪ ৩:০৮ অপরাহ্ণ

A Leageশ্যামলবাংলা ডেস্ক : আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সংঘাতপূর্ণ ও বাকযুদ্ধের রাজনৈতিক পরিবেশের মধ্যেও চতুর্থ উপজেলা নির্বাচন অতীতের যেকোনো স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চেয়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে। তিনি ১ এপ্রিল মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ওই কথা বলেন।এসময় তিনি বলেন, অতি নগণ্য ও সামান্য কিছু ঘটনা ব্যতিক্রম হিসেবে ধরে নিলে এ নির্বাচনে জনগণ স্বাধীনভাবে পছন্দসই প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নিজেদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পেরেছেন। সোমবার শেষ হওয়া ৫ ধাপের উপজেলা নির্বাচন প্রসঙ্গে দলীয় আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনের শুরুটা ভালো হয়েছে, শেষটাও মোটামুটি ভালো হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রশাসনকে নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক বাদানুবাদের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে বিদ্রোহী প্রার্থীদের তৎপরতা কোনো কোনো ক্ষেত্রে নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিঘ্নিত করেছে, যা নিতান্তই অনভিপ্রেত।
নির্বাচনে বিএনপির কারচুপির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিদিন তারা পালা করে ধারাবাহিক সংবাদ সম্মেলনে জবরদস্তি ও কারচুপির অভিযোগ করেছেন। তাদের জিজ্ঞাসা করি কারচুপি হলে ১শ ৬৪টি উপজেলায় কী করে তারা জয়লাভ করেছেন? আসলে এ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার হীনরাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই বিএনপি নেতারা রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত, ভিত্তিহীন, কল্পিত ও কুৎসিত মিথ্যাচারে লিপ্ত হয়েছেন।
নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ নাকচ করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, আমাদের বহু মন্ত্রীর এলাকায় পর্যন্ত আমাদের প্রার্থীরা হেরে গেছেন। পীরগঞ্জে বিএনপি ও গোপালগঞ্জে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। কিশোরগঞ্জ সদরেও আমাদের প্রার্থী হেরেছেন। অথচ বগুড়ার একটি উপজেলায়ও আমরা জিততে পারিনি। নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নিষিদ্ধ জামায়াতে ইসলামের বহু প্রার্থীও জিতেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, ডা. দীপু মনি, আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খান, হাবিবুর রহমান সিরাজ, ফরিদুন্নাহার লাইলী, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু, ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, মৃণাল কান্তি দাস, আমিনুল ইসলাম আমিন, সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!