মেহের আমজাদ, মেহেরপুর : শুক্রবার জুম্মার নামাজের সময় মেহেরপুর সদর উপজেলার বন্দর জামে মসজিদে অধিকাংশ মুসল্লীরা নামাজে যায়নি। মসজিদের মাইকে বার বার নামাজ পড়তে আসাবার জন্য প্রচার করা হলেও গ্রামের অধিকাংশ মুসল্লীর সাড়া মেলেনি। পুলিশের গ্রেফতার আতংকে গ্রামের বয়স্ক ব্যক্তিরা ও মসজিদের ইমাম হাফেজ নূরুল হদা গ্রাম ছেড়ে আত্মগোপন করেছেন। জুম্মার নামাজ পড়ার জন্য কয়েকজন শিশু ও বৃদ্ধ মসজিদে যায়। এসময় মেহেরপুর আলিয়া মাদ্রাসা থেকে ৯ম শ্রেনীতে পড়া এক ছাত্রকে ডেকে নিয়ে এসে বন্দর জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়ানো হয়।

গ্রামবাসীরা জানান, বৃহস্পতিবার বন্দর জামে মসজিদে ফজরের নামাজের সময় পুলিশ মসজিদটি ঘেরাও করে। নামাজ শেষে মসজিদের ভিতরে থাকা সকল মুসল্ল¬ীদের পুলিশের গাড়িতে উঠিয়ে মেহেরপুর সদর থানা নিয়ে আসে। এদের মধ্যে জামায়াত, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের ২৭ জন আটক হয়। পরে জামায়াত-বিএনপির ৮ জনকে সড়ক অবরোধ ও গাছ কাটার অভিযোগে আদালতে প্রেরন করা হয়। আটক অন্যান্যদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে মেহেরপুর পুলিশ সুপার বলেন, জামায়াত-শিবিরের পলাতক আসামীরা মসজিদে অবস্থান করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের অভিযান চালনো হয়। যাচাই-বাছাই শেষে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নেয়, তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে।




