এম.আবদুল্লাহ আনসারী.পেকুয়া (কক্সবাজার) : পেকুয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ঝুকিপূণৃ ৭ ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি সচেতন মহলের মাঝেও উদ্বেগ উৎকন্ঠা বিরাজ করছে। জাতীয় নির্বাচন থেকে স্থানীয় নির্বাচনে প্রতিবারই এসব কেন্দ্রে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার সহ বিচ্ছিন্ন ঘটনা সংঘটিত হওয়ায় এবারও এসব কেন্দ্রে প্রভাবমুক্ত ও সুষ্ঠু ভোট দিতে পারা নিয়ে সাধারণ ভোটাররা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী সমর্থকরা কেন্দ্রেগুলোতে আধিপত্য বিস্তারের প্রকাশ্য ঘোষনা দেয়ায় সাধারণ ভোটারদের মাঝে এ আতংকের সৃষ্টি হয়েছে এখন থেকে। সুত্রে প্রকাশ পেকুয়া উপজেলা পরিষদের নির্বাচনটি স্থানীয় নির্বাচন হলেও বি.এন.পি-জামায়াত ও ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনয়নে চেয়ারম্যান ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী দিয়ে সম্পূর্ণ দলীয় ইমেজের সফলতা বিফলতার কাছে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মুখোমূখী করায় এঝুকিপূর্ণতা আরো বৃদ্ধি হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মীরশওকত হোসেনের কাছে এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে গত ১৪ ফেব্রæয়ারী ৭ ঝুকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্রে আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের সজাগ দৃষ্টি কামনা করে ভোটারদের স্বাধীন ভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের আগাম আবেদনও জমাদিয়েছে বলে নিবৃাচন কমিশন কার্যালয় সুত্রে জানাগেছে। আপাতত দৃষ্ঠিতে ঝুকিপূর্ন ভোট কেন্দ্রগুলো হলো পেকুয়া সদরের কেন্দ্র নং ৯৪, গোঁয়াখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বারবাকিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রনং-১০৩, হোসনে আরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র নং-১০৪, বুধামাঝির ঘোনা কেন্দ্র নং-১০৭, টইটং উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র নং-১০৮, বটতলী শফিকিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্র নং-১১১ ও সোনাইছড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র নং-১১২। এব্যাপারে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মীরশওকত হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রচুর আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে কোন সমস্যা হওয়ার কথা না এরপরও এখনো হাতে সময় আছে যাচাই বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পেকুয়া-চকরিয়ায় বৈষম্যহীন উন্নয়নে সবার সহযোগীতা চাই : এম.পি ইলিয়াছ
দলের চেয়ে দেশ বড়। দলমত ও বিবেদের উর্ধ্বে উঠে সুষম উন্নয়ন করতে সবার সহযোগীতা কামন করে বলেন, চকরিয়া পেকুয়ায়র উন্নয়নে কোন প্রকার বৈষম্য করা হবেন। জনস্বার্থ বিবেচনা করে উন্নয়ন করা হবে। কক্সবাজার-১ চকরিয়া-পেকুয়া সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য হাজী ইলিয়াছ ১৯ ফেব্রæয়ারী বিকাল ৩টার দিকে পেকুয়া চৌমুহনী চত্বরে এক পথ সভায় উপরোক্ত কথা গুলো বলেন। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় এম.পি নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম তিনি পেকুয়া আসেন। সকালে কুতুবদিয়া যাওয়ার পথে পেকুয়া থানা পরিদর্শন করেন বিকালে এ পথ সভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য করেন। তার সাথে ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় পার্টির(এরশাদ) সভাপতি সোলাইমান আলম শেঠ, কক্সবাজার পৌর জাতীয় পার্টির সভাপতি কামাল উদ্দিন কামাল, পেকুয়া উপজেলা জাতীয়পার্টির সভাপতি এস.এম.মাহবুব, সহ সভাপতি সেলিমুল আহসান, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক দিদারুল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউল আলম।

পেকুয়া চঞ্চল্যকর ইয়ার মোহাম্মদ হত্যা মামলার বাদীকে হত্যার হুমকি
পেকুয়ায় পিতাকে গুলি করে মেয়েকে অপহরণ ঘটনায় দায়ের করা মামলার বাদীর বসত ঘরে গিয়ে আসামীরা মামলা থেকে বাদ দেয়া না হলে হত্যার হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় মামলার বাদী হাছিনা বেগম পেকুয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী দায়ের করেছে। ডায়েরী নং-৭০৩ তাং-১৮/০২/১৪ইং। জানাযায়, ২০১৩ সালের ১৯ আগষ্ট দিবাগত রাত ১২ টার দিকে পেকুয়া সদরের বটতলিয়া পাড়ার গোলাম চোবহান মেম্বারের ছেলে যুবলীগ নেতা নুরুল আজিম একই এলাকার ইয়ার মোহ্ম্মাদের মেয়ে প্রবাসীর স্ত্রী ১ সন্তানের জননী রোজিনাকে অপহরণ করতে গিয়ে বাধা দেয়ায় পিতাকে হত্যা করে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এঘটনায় পেকুয়া থানায় হত্যা ও অপহরণের অভিযোগে পৃথক মামলা দায়ের করে ইয়ার মোহাম্মদের স্ত্রী হাছিনা বেগম বাদী হয়ে। ঘটনার কয়েকদিন পর ডুলহাজার গভীর পাহাড় থেকে মামলার দুই নং আসামী বেলালকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। আদালতে বেলালের দেয়া ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিতে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার উল্লেখ করেন, বটতলিয়া পাড়ার আশরফ মিয়ার ছেলে নাজেম, মৃত এমদাদ মিয়ার ছেলে সাজ্জাদ ও আবুল হোছনের ছেলে রবির। পরে আদালতের নির্দেশে পেকুয়া থানা মামলার চুড়ান্ত প্রতিবেদনে তাদের নাম উল্লেখ করলে আসামীরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে। সাধারণ ডায়েরীর বাদী ও হত্যা-অপহরণ মামলার বাদী হাছিনা বলেন, মামলার দুই নং আসামী বেলালের স্বীকারোক্তিতে নাজিম, সাজ্জাদের নাম উল্লেখ করেছে তারা এজাহার নামীয় আসামী ছিলনা এখন নাজিম, মমতাজ বেগম রবিউল আলম রবি ও হামিদা বেগম অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে আমার বসতঘরে গিয়ে মামলা থেকে তাদের বাদ দেয়ার জন্যে চাপ দিচ্ছে অন্যতায় স্বপরিবারে হত্যার করার হুমকি দিচ্ছে। বাদীর বসতঘরে গিয়ে হত্যার হুমকির ঘটনার পর পেকুয়া থানার এস.আই. আনোয়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শ করেন। মামলার বাদী মকবুল হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ধুত আসামী বেলালের ১৬৪ মতে স্বীকারোক্তির আলোকে সাজ্জাদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামীদেরও আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে।




