ads

শুক্রবার , ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ | ২৮শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

কুমিল­ায় বিশ্বভালোবাসা দিবস পালিত : বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে তরুন-তরুণীদের উপচে পড়া ভিড়

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৪ ৫:০৪ অপরাহ্ণ

aতাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল­া : “ভালোবাসা মোরে ভিখারি করেছে তোমারে করেছে রানী’, অথবা ‘আমি ভালোবাসি যারে, সে কী কভু আমা হতে দূরে যেতে পারে…”। নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সারাবিশ্বের ন্যায় কুমিল­ায় বিশ্ব ভালোবাসা দিবস পালন করা হয়েছে। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার কুমিল­া’র ঐতিহ্যবাহী ধর্ম সাগর, পৌর পার্ক, কোটবাড়ী শালবন বিহার, ময়নামতি ইংরেজ কবরস্থান, কেটিটিসি, ইর্কোপার্ক ও চিড়িয়াখানাসহ বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র গুলোতে বেশির ভাগই ছিলো স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া যুবক-যুবতীরা। বিশ্ব ভালোবাসা উপলক্ষ্যে নগরীর ফুলের দোকানসহ রক স্টার ও বাংলা রেস্তোরা, ইউরো কিং সহ চাইনিজ হোটেল গুলোকে বর্ণিল সাজে সাজিয়েছেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম প্রহর থেকেই শুরু হয়েছে ভালোবাসার পারষ্পরিক বিনিময়ের পালা। মোবাইল ফোন আর ইন্টারনেটের এই যুগে কেবল মুহুর্ত্বেই চলে যায় দেশ হতে দেশান্তরে হ্যাপি ভ্যালেন্টান…। বিশ্ব ভালোবাসা দিবসটি পালন করতে কুমিল­া’র  পিকনিক স্পট ও ফুলের দোকান গুলোকে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে। বিশেষ করে এ দিবসটি জন্যে মাসের পর মাস অপেক্ষার প্রহর গুনে প্রেমিক-প্রেমিকারা।  এ ছাড়াও পিতা-মাতা, ভাই-বোন, দাদা-দাদি, বন্ধু-বান্ধব, স্বামী-স্ত্রী আত্মীয়-স্বজন একে অপরকে ভালোবাসার শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ দিবসটি পালন করতে কুমিল­া ঐতিহ্যবাহী ধর্মসাগর পাড়ের তিল পরিমাণ ঠাঁই ছিলোনা তরুণ-তরুণী সহ বিভিন্ন বয়সের হাজারো মানুষের। ভালোবাসার জন্য কেউ সাম্রাজ্য ত্যাগ করেছে, কেউ জীবন দিয়েছে। সেই ভালোবাসাকে চিরঞ্জীব করে রাখতে ইতিহাসের পাতা থেকে উঠে এসেছে ‘ভ্যালেন্টাইন্স ডে’ বা ‘বিশ্ব ভালোবাসা দিবস’।
লং ড্রাইভ অথবা নির্জন ঘরের কোণে একান্ত নিভৃতে কাটায় প্রণয়রত তরুণ-তরুণীরা মধুর সময়। ফুল দোকানে থরে থরে সাজানো মলি­কা, জুঁই, গাঁদা দেখা যায় যুবক-যুবতীদের খোঁপায়। প্রিয়তমার খোঁপায় গাঁদার হলুদ ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায় প্রিয়র পাঞ্জাবি-ফতুয়া। মুহুর্মুহু বেঁজে উঠে মোবাইল ফোন। হাতে হাত রেখে যুগলবন্দি নারী-পুরুষ ভালোবাসার জানান দেয় নিজের মতো করে, একাকার হয়ে। তবে ভালোবাসা দিবসটি কেবল প্রিয়তম-তমার জন্য নয়। সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার অপত্য স্নেহ এবং পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের আন্তরিক সংবেদন সব মিলিয়েই ভালোবাসার এই দিন। ছেলে-মেয়েও শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় সিক্ত করে বাবা-মাকে।
ইতিহাস মতে, তৃতীয় শতকে রোমের যাজক ছিলেন দ্বিতীয় ক্লাডিয়াস। সে সময় তার ঘোষণা অমান্য করে প্রথম ভ্যালেন্টাইন গোপনে প্রেমিক-প্রেমিকাদের বিয়ের ব্যবস্থা করেন। ২৭০ খ্রিস্টাব্দে বিশপ ভ্যালেন্টাইন ভালোবাসার জন্য প্রাণ বিসর্জন দেন। তৃতীয় ভ্যালেন্টাইন উত্তর আফ্রিকার একটি রোমান সাম্রাজ্য আত্মোৎসর্গ করেন। ক্যাথলিক এনসাইক্লোপিডিয়া অনুসারে এই তিন ভ্যালেন্টাইন ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসার জন্য আত্মাহুতি দেন।

Need Ads
error: কপি হবে না!