ads

শনিবার , ১৬ নভেম্বর ২০১৩ | ১৪ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নির্বাচনী হাওয়া : বগুড়া-৪ আসনে বিএনপির হাফ ডজন প্রার্থী : দলীয় কোন্দলে ঝিমিয়ে পড়েছে আওয়ামী লীগ

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
নভেম্বর ১৬, ২০১৩ ৩:৩৮ অপরাহ্ণ

07-10-13 nandigram sujonমো. সুজন রানা, নন্দীগ্রাম (বগুড়া) : বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলার ৯ টি ইউনিয়ন একটি পৌরসভা ও নন্দীগ্রাম উপজেলার ৫ টি ইউনিয়ন একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত বগুড়া-৪ আসন। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকেক কাহালু-নন্দীগ্রাম নির্বাচনী এলাকার আওয়ামীলীগ ও বিএনপির মধ্যে চরম কোন্দল রয়েছে। বড় দুই দলের চরম কোন্দল থাকলেও বিএনপির হাফ ডজন মনোনয়ন প্রত্যাশী ইতোমধ্যেই মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা কোন্দলের কারণে ঝিমিয়ে রয়েছে। বড় দুই দলেরই সম্ভাব্য প্রার্থীরা সাংগঠনিক কর্মকান্ডের চেয়ে লবিং-গ্র“পিং নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কিছু মনোনয়ন প্রত্যাশী সম্ভাব্য প্রার্থীরা নামকাওয়াস্তে গণসংযোগ দেখিয়ে দলীয় টিকিট পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। ওইসব নেতারা জনগণ ও দলীয় নেতাকর্মীদের স্বার্থের চেয়ে নিজের অস্তিত্ব প্রতিষ্ঠা নিয়েই ব্যস্ত রয়েছে। সে বিষয়ে এলাকার জনগণ ও দলীয় নেতাকর্মীরা সজাগ রয়েছে। ওই ধরনের কয়েকজন প্রার্থী আওয়ামী লীগসহ বিএনপিতেও রয়েছে।
বিএনপির ঘাটি হিসেবে পরিচিত বগুড়া জেলা তথা কাহালু-নন্দীগ্রাম উপজেলা। ওই নির্বাচনী এলাকা ৯১ সাল থেকে বিএনপির দখলে রয়েছে। ৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই নির্বাচনী এলাকা থেকে বিএনপির প্রয়াত যুগ্ম মহা সচিব আজিজুল হক মোল্লা এমপি নির্বাচিত হন। ৯৪ সালে তার মৃত্যুর পর উপ-নির্বাচনে আজিজুল হক মোল¬ার বড় ছেলে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জিয়াউল হক মোল¬া এমপি নির্বাচিত হন। ডা. জিয়াউল হক মোল¬া প্রথমে উপ-নির্বাচন সহ মোট ৪ বার এমপি নির্বাচিত হয়। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে বিএনপি থেকে ইঞ্জি. জেড আই এম মোস্তফা আলী মুকুল মনোনয়ন লাভ করে বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হয়। তিনি আসন্ন ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি’র আবারও মনোনয়ন লাভ করে এমপি নির্বাচিত হবার টার্গেট নিয়ে পুর্বে থেকেই মাঠে রয়েছেন। তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হবার পর থেকেই বেশির ভাগ সময় জনগণের মাঝেই রয়েছে। তার সাথে এবার মনোনয়ন যুদ্ধে নেমেছেন আরো ৫ জন বিএনপি প্রভাবশালী নেতা। তারা হলেন, সাবেক এমপি ডা. জিয়াউল হক মোল¬া, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এ্যাড. এস এম আ. রাফি পান্না , জেলা বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক উপাধ্যক্ষ ফজলে রাব্বী তোহা, ঢাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল গ্রামের বিশিষ্ট সমাজ সেবক আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন, কাহালু পৌর সভার সাবেক মেয়র ফরিদুল ইসলাম। এ আসনে ১৮ দলীয় জোট থেকে এলডিপি নেতা সাবেক মন্ত্রী মামদুদুর রহমান চৌধুরী ও বগুড়া জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর কাহালু উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মাওলানা তায়েব আলী মনোনয়ন দাবি করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়।
এ আসনে আওয়ামীলীগের নেতৃত্ত্বাধীন মহাজোটের মনোনয়ন প্রত্যাশিরা হচ্ছেন নন্দীগ্রাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. ইউনুস আলী, জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা রেজাউল করিম তানসেন। এদের মধ্যে কয়েক জন সম্ভাব্য প্রার্থীর কাহালু-নন্দীগ্রাম এলাকায় তেমনটা গ্রহন যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। শেষ সময়ে তারা উঠে পড়ে লেগেছে। সবাই নিজের অবস্থান ধরে রাখার জন্য ব্যাপক লবিং গ্র“পিংয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। স্বঘোষিত ২-৩ জন প্রার্থী নিজেদের পরিচিতি লাভের জন্য পত্র-পত্রিকায় নাম প্রকাশ করলে জনগণ তা হাস্যকর বলে মনে করে। ডা. জিয়াউল হক মোল্লা ওয়ান ইলেভেনের পর বিএনপির সংস্কারপন্থি হিসেবে চিহ্নিত হন। সে কারনে তার মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভনা  খুবই কম। আ.রাফি পান্না দলের মনোনয়ন লাভের জন্য হাইকমান্ডে ব্যাপক লবিং করছে। দলীয় তার সমর্থকরাও তার পক্ষে প্রচার প্রচারণা করছে। ফজলে রাব্বী তোহা বিএনপির রাজনীতিতে বেশ সক্রিয়। তিনি দলের ত্যাগী নেতাদের  আপদে বিপদে  পাশে থেকে সাংগঠনিক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে। জেলা বিএনপির সদস্য মোশারফ হোসেন একজন শিল্পপতি ও তরুন সমাজ সেবক হিসেবে পরিচিত। সে নিজ উদ্যোগে ধর্মীয় ও সামাজিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনেক অনুদান দিয়ে আসছেন। তার আচার ব্যবহারও বেশ ভাল। তাকে নিয়ে কোন বিতর্ক নেই। উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ ৪৮ হাজারের অধিক ভোট পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। সে কারনে তিনি দলীয় মনোনয়ন লাভে আশাবাদী। এ্যাড ইউনুস আলী সংগঠনের ভীদ মজবুত করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালায়। গত নির্বাচনে তিনি দলীয় মনোনয়ন পেলেও এ আসনটি মহা জোটকে ছেড়ে দেয়ায় নির্বাচন থেকে সরে আসেন। এখন থেকেই কাহালু-নন্দীগ্রাম এলাকায় ভোট ভাবনা শুরু হয়েছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!