ads

শনিবার , ৯ নভেম্বর ২০১৩ | ৩রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

বিলুপ্তির পথে কালিজিরা-কাটারীভোগ ধান

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
নভেম্বর ৯, ২০১৩ ১০:৩২ অপরাহ্ণ

Rajarhat Pic-09-11-13মাহফুজার রহমান মনু, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) : কুড়িগ্রামের রাজারহাটে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহি কালিজিরা-কাটারী ভোগ ধান। এক সময় এই ধান কৃষকরা ব্যাপকভাবে চাষাবাদ করতো। বর্তমানে বেশী ধানের আশায় কৃষকরা নতুন ধান চাষাবাদে ঝুকে পড়েছে। এই কারণে কাটারী ভোগ ও পাইজন জাত ধানগুলো প্রায় বিলুপ্তির পথে।
ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের কামার পাড়া গ্রামের ধান চাষী আজিজুল হক, রাজারহাট ইউনিয়নের পুনকর গ্রামের আব্দুল সামাদ, হেলাল উদ্দিন, মেকুরটারী গ্রামের বক্কর মিয়া জানান, এক সময় কাটারী ভোগ ও পাইজন ধান গ্রামে কৃষকরা ব্যাপকভাবে চাষাবাদ করতো এবং বাড়িতে খুব আনন্দের সাথে আত্মীয়-স্বজনদের ডেকে নিয়ে পিঠা-পুলি, পায়েশ বানিয়ে খাওয়াতো। কিন্তু এখন এই সুন্দর জাতের ধান গ্রাম-গঞ্জে আর চাষাবাদ করে না। বর্তমানে ধান গবেষনা ইন্সষ্টিটিউট থেকে বিভিন্ন জাতের নিত্য নতুন ধান আবিস্কার হওয়ায় পুরোনো ওইসব ধান চাষাবাদ হয়না। এমনকি এ সকল ধানের বীজ পর্যন্ত আর পাওয়া যাচ্ছে না। চাষীদের কাছে কালি জিরা ও পাইজন ধানের দাম জানতে চাইলে তারা জানান, মন প্রতি এ ধানের দাম ১৮শ’ ২ হাজার টাকা।
রাজারহাট উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার ষষ্টী চন্দ্র রায় বলেন, ৫ বৎসর আগেও এসকল ধান ব্যাপকভাবে চাষাবাদ হতো। কিন্তু এখন আর আগের মতো চাষাবাদ হয় না। রাজারহাট উপজেলা এ বছরে কালি জিরা এবং পাইজন ধান মাত্র ২ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে অনেক কম। তিনি আরও জানান, পুরোনো এ ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে হলে এ ধান চাষাবাদে কৃষককে জাগ্রত করতে হবে।

Need Ads
error: কপি হবে না!