মো.সুজন রানা, নন্দীগ্রাম (বগুড়া) : ১৮ দলের হরতালের দ্বিতীয় দিনে বগুড়ার নন্দীগ্রামে বিএনপির দু’গ্র“পের সংঘর্ষে ৫ জন আহত হয়েছে। ২৮ অক্টোবর সোমবার সকালে বিএনপির বিবদমান দু’গ্র“পের মধ্যে ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ফজলে রাব্বী তোহার নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। দুপুর ১২টায় জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এড.রাফি পান্না, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ফজলে রাব্বী তোহা ও সদস্য মোশারফ হোসেনের নেতৃত্বে আরও একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হলে এমপি মোস্তফা আলী মুকুল গ্র“পের সাথে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে পুলিশ ৪৫ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ২১ রাউন্ড টিয়ারশেল ছুড়ে। বিএনপির অফিস থেকে ককটেল নিক্ষেপ করার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় নন্দীগ্রাম পৌরসভার কর্মচারী শহিদুল ইসলাম (৩০) সহ ৫ জন আহত হয়েছে। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় উভয় গ্র“পের ২শতাধিক চেয়ার ভাংচুর হয়েছে। ঘটানাস্থল থেকে পুলিশ নন্দীগ্রাম উপজেলার রিধইল গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে আ.হান্নান (৩০) কে আটক করে। সকাল থেকেই বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা হরতাল পিকেটিংয়ের জন্য বগুড়া-নাটোর মহাসড়কে অবস্থান নেয়। হরতাল চলাকালে মহাসড়কে কোন ধরণের যানবাহন চলাচল করেনি। দোকানপাটও বন্ধ ছিল। ওই ঘটনায় নন্দীগ্রামে জনমনে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। এ ব্যাপারে থানার অফিসার অফিসার ইনচার্জ শাহজাহান আলীর সাথে কথা বললে তিনি বলেন,আমাদের যথারীতিভাবে পুলিশ মোতায়েন করা ছিল এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেছি। অপরদিকে দুপুর ২টায় নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে একটি হরতাল বিরোধী একটি মিছিল পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদিক্ষণ করে।




