ads

শনিবার , ২ নভেম্বর ২০১৩ | ৯ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

জলঢাকায় আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে স্থবিরতা : নেই কোন সাংগঠনিক তৎপরতা

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
নভেম্বর ২, ২০১৩ ৬:৪১ অপরাহ্ণ

Nilphamari__District_Map_Bangladesh-3এম. এ করিম মিষ্টার, নীলফামারী : নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা বিরাজ করছে। ৮ বছর উপজেলা আওয়ামী লীগের কোন সম্মেলন হয়নি। ইউনিয়নগুলোর ওয়ার্ড কমিটিও গঠন করা হযনি। এ কারণে বন্ধ রয়েছে সদস্য সংগ্রহ অভিযানও। সেই সঙ্গে নেই কোন সাংগঠনিক তৎপরতাও।
দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জলঢাকা উপজেলা আওয়ামী লীগ এখন ৮ বছর আগের কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক নির্ভর হয়ে পড়েছে। তবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে জামায়াত। ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর থেকে আসনটি আওয়ামী লীগের ঘাঁটি পরিচিত থাকলেও ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে তা দলটির হাতছাড়া হয়ে যায়। ওই দুই বছর জামায়াতের প্রার্থী মিজানুর রহমান চৌধুরী ওই আসনে নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে জাতীয় পার্টি থেকে কাজী ফারুক কাদের এই আসন থেকে নির্বাচিত হন।
সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা বিরাজ করার কথা স্বীকার করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা বলেন, এখানে ২০০৫ সালে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হলেও দীর্ঘ আট-নয় বছরে আর কোন সম্মেলন হযনি। তখন আনছার ালী সভাপতি ও সহিদ হোসেন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তাঁরাই এখন পর্যন্ত কোনো রকমে দল চালাচ্ছেন। জলঢাকায় এখন সেভাবে কোনো সাংগঠনিক তৎপরতা নেই। তাঁরা সংগঠনকে গ্রামমুখী করতে পারেননি। এমনকি তাঁরা ( সভাপতি- সম্পাদক) সদস্য সংগ্রহ ফরমও আনেন না।
অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনছার আলী বলেন, আমাদের মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্ত কোনো সমস্যা নেই। আমার আগে এখানে আওয়ামী লীগের কমিটিতে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের দুর্বলতার কারণে আমরা সাংগঠনিকভাবে পিছিয়েছি। এখন দলের কার্যক্রম সুন্দরভাবে চলছে। তিনি আরও বলেন, ২০০৫ সালে এখানে সর্বশেষ সম্মেলন হয়েছে। সদস্য সংগ্রহ বই আনতে এখন টাকা লাগে, এ কারণে আনা হয়নি।
আনছার আলী অভিযোগ করেন, বর্তমান সাংসদ এলাকায় থাকেন না। মাঝেমধ্যে এখানে আসেন। তাকে ভুল বুঝিয়ে জামায়াতের লোকজন সুবিধা নিচ্ছেন। মহাজোটের বদলে জামায়াতকে তিনি বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন।
নীলফামারী জেলায় জামায়াতের বিশেষ কোনো তৎপরতা নেই। কিন্ত জলঢাকা উপজেলায় আওয়ামী লীগের দুর্বলতার পাশাপাশি মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে জামায়াত-শিবির। চলতি বছরের ২ মার্চ উপজেলার রাজারহাট এলাকায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে সহিংসতা চালানোর চেষ্টা করে জামায়াত-শিবির। তখন আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে আতিকুর রহমান নামে শিবিরের এক কর্মী নিহত হন। একইভাবে ২৫ অক্টোবর বিকেলে জামায়াত- শিবির লাঠিসোঁটা হাতে নিয়ে জলঢাকায় মিছিল বের করে সহিৎসতা শুরু করে। ওইদিন সংঘর্ষে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে মোসলেম উদ্দিন (২৮) নামে শিবিরের আরেক কর্মী নিহত হন।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!