চিতলমারী (বাগেরহাট) প্রতিনিধিঃ বাগেরহাটের চিতলমারীতে ব্র্যাক অফিসের (ব্রাঞ্চ) সেলিম মোলা (৪০) নামের কর্মী ও মোঃ জামাল (৪০) নামের দু’ব্যক্তিকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবী ও নির্যাতন করার ঘটনায় পুলিশ মোঃ স্বাধীন মোল্লা (২৮) নামের এক ছাত্রদল কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। অপহরণে ব্যবহৃত দু’টি মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় চিতলমারী থানায় ১০ জন ছাত্রদল ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ ৩ ঘন্টার মধ্যে অপহরণকারীকে উদ্ধার করেছে।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানাগেছে, বুধবার (১৪ মে) রাত অনুমান ৮ টার সময় চিতলমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে ৮/১০ জনের একদল যুবক চিতলমারী ব্র্যাক ব্রাঞ্চের শিক্ষা প্রকল্পের পি,ও মোঃ সেলিম মোলা (৪০) ও তার সঙ্গী মোঃ জামাল খানকে মুখ বেঁধে ইজিবাইকে করে পশ্চিম দিকে সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশে একটি মাঠের মধ্যে নিয়ে যায়। অপহরণে নেতৃত্বদানকারী ছাত্রদল কর্মী স্বাধীন মোলার স্ব-দলবলে সেলিম ও জামালের নিকট ৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবী করে। ওই টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে তাদের দু’জনকে হত্যার উদ্দেশ্যে নির্যাতন চালায়। নির্যাতনকালে তাদের ডাক চিৎকারে পার্শ্ববর্তী লোকজন টের পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। তাৎক্ষনিক ভাবে চিতলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ দিলীপ কুমার সরকারের নেতৃত্বে উদ্ধার অভিযান চলে। ঘটনাস্থল থেকে বারাশিয়া গ্রামের মোঃ কামরুল মোলার পুত্র ছাত্রদল কর্মী স্বাধীন মোলা (২৮) ০১৮৪৭০০৮৬৯৪ নং বিকাশ নাম্বারে টাকা দেবার জন্য শাহ আলমকে ০১৬৮৮৭৩৪৫১৭ নাম্বার থেকে ফোন করে। গভীর রাতে বিকাশের কোন দোকান খোলা না থাকায় নগদ টাকা নিয়ে সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে যাবার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। এক পর্যায়ে শাহ আলম ও পুলিশ টাকা নিয়ে ঘটনাস্থলে যায় ও স্বাধীনকে টাকা নেবার সময় পুলিশ হাতেনাতে গ্রেফতার করে। এ সময় পুলিশ অপহরণের ব্যবহৃত দু’টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে। অপহৃত নির্যাতিত সেলিম ও জামালকে প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে বলেও জানাগেছে। ২০১২ সালে চিতলমারীর কুরালতলা গ্রামের বিশ্বজিৎ নামের একটি শিশু অপহরণ ও মুক্তিপণের ঘটনায় শিশুটি এখনও পর্যন্ত উদ্ধার হয় নাই। বর্তমান ঘটনাটি নিয়ে চিতলমারী এলাকায় অপহরণ, গুম ও মুক্তিপন আতঙ্কে ভুগছে স্থানীয় জনসাধারন ও ব্যবসায়ীরা। রাজনৈতিক মহলেও বিষয়টি নিয়ে চলছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়। এ ঘটনায় চিতলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ দিলীপ কুমার সরকার জানান, অপহরণের ঘটনা শুনে তাৎক্ষনিক ভাবে ওই রাতেই অভিযান চালিয়ে এক ছাত্রদল কর্মীকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে ও দু’টি মোটর সাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। বাকীদের গ্রেফতারের জোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। চিতলমারী থানার মামলা নং- ৮,




