দারুণ এক জয় দিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। এরপর সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেসে যায়। শেষ ম্যাচেও হানা দিয়েছে বেরসিক বৃষ্টি। তাতে ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমেছে, তবে ফলাফল এসেছে। ডিএল মেথডে বাংলাদেশকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে কিউইরা। ফলে ১-১ এ সিরিজ ভাগাভাগি করেছে দুই দল।

মিরপুরে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে বৃষ্টি বিঘ্নিত ১৫ ওভারের ম্যাচে ১৪ ওভার ২ বল খেলে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১০২ রান করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন তাওহিদ হৃদয়। জবাবে ১১ ওভার ৪ বলে ৪ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড।
অল্প পুঁজি নিয়েও ভালোই লড়াই করেছে বোলাররা। বিশেষ করে পেসাররা। নতুন বলে শরিফুল ইসলাম দুর্দান্ত ছিলেন। ইনিংসের দ্বিটিয় ওভারে দুই উইকেট নিয়ে দারুণ শুরু করেন। চতুর্থ ওভারে ফিরে আবারো উইকেটের দেখা পান এই বাঁহাতি পেসার।

পঞ্চম ওভারে বোলিংয়ে এসে উইকেট পার্টিতে যোগ দেন শেখ মেহেদি। তাতে ৩৩ রানেই টপ অর্ডারের চার ব্যাটারকে হারিয়ে বিপদে পড়ে কিউইরা। তবে বেভন জেকবস কাউন্টার অ্যাটাকে রীতিমতো ঝড় বইয়ে দেন। ২৯ বলে ফিফটি করে বাংলাদেশকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩১ বলে অপরাজিত ৬২ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা মন্দ হয়নি বাংলাদেশের। তবে পাওয়ার প্লের শেষের আগের দুই ওভারে বড় ধাক্কা লাগে তাদের ব্যাটিং লাইনে। ১০ বল ও ১৪ রানের মধ্যে তিন উইকেট হারায় তারা। বৃষ্টি নামার আগে ৬ ওভারের পাওয়ার প্লেতে তাদের রান ৩ উইকেটে ৪৩।
সপ্তম ওভারে চার বল শেষে বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ ছিল প্রায় দুই ঘণ্টা। তখন ৬.৪ ওভারে তাদের সংগ্রহ ৫০ রান। লিটন দাস ২৫ ও তাওহীদ হৃদয় ২ রানে অপরাজিত ছিলেন। বৃষ্টি বন্ধ হওয়ার পর মাঠ শুকানোর চেষ্টা চালিয়ে যান মাঠকর্মীরা। বিকেল সাড়ে চারটায় ম্যাচ শুরু হয়। ফলে ম্যাচের ইনিংস কমে হয়েছে ১৫ ওভারের।
বৃষ্টির পর খেলা মাঠে গড়ালে আরো একবার ভালো শুরু পায় বাংলাদেশ। তবে ২৬ রানে থামেন লিটন। এরপর আরেক সেট ব্যাটার হৃদয়ও ফিরেছেন। তার ব্যাট থেকে এসেছে ৩৩ রান। লিটন-হৃদয়ের বিদায়ের পর ধস নামে বাংলাদেশের ইনিংসে। শামীম-সাইফউদ্দিনদের কেউই দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। ফলে কোনোরকমে একশ ছুঁয়ে অলআউট হয় বাংলাদেশ।




