শেরপুরে দিনব্যাপী শিশু সাংবাদিকতার ফলোআপ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২ মে শনিবার শেরপুর শহরের নিউমার্কেটে অবস্থিত ইনস্টিটিউ অব ইঞ্জিনিয়ারস বাংলাদেশ-আইডিইবি’র জেলা কার্যালয় মিলনায়তনে ওই প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিসেফের অংশীদারীত্বে সাংবাদিকতায় বিশ্বের প্রথম বাংলা সাইট হ্যালো ডট বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম ওই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে শেরপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক এবিএম মামুনুর রশিদ পলাশ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন। ওইসময় তিনি বলেন, শিশুদের জন্য এমন আয়োজন ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে। পাশাপাশি কর্মশালায় প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান নিয়ে শিশুরা অনেক দূর এগিয়ে যাবে। এমন একটি সুন্দর অনুষ্ঠানে আসতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। তিনি শিশু সাংবাদিকদের পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।
হ্যালো ডট বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকমের শেরপুর জেলা তত্ত্বাবধায়ক মো. আব্দুর রহিম বাদলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সরকার নিবন্ধিত অনলাইন নিউজপোর্টাল শ্যামলবাংলা২৪ডটকম’র সম্পাদক-প্রকাশক এবং শেরপুর প্রেসক্লাব ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম আধার, দৈনিক তথ্যধারার সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম এটম এবং মাছরাঙা টেলিভিশনের শেরপুর জেলা প্রতিনিধি আবুল হাশিম।

বিশেষ অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, শিশুদের যে কেবল সাংবাদিকতাই করতে হবে এমনও না। প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে তারা নিজেদের অধিকার, আইন ও তাদের সুরক্ষার বিষয়ে জানতে পারবে। অনলাইন নিউজপোর্টাল শ্যামলবাংলা২৪ডটকম’র সম্পাদক-প্রকাশক রফিকুল ইসলাম আধার তার নিউজপোর্টালে প্রতি সপ্তাহে শিশুদের জন্য বিশেষ জায়গা রাখবেন বলে ঘোষণা দেন। দৈনিক তথ্যধারার সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম এটম তার পত্রিকা শিশু সাংবাদিকদের জন্য সব সময় খোলা থাকবে বলে জানান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কর্মশালার প্রশিক্ষক হ্যালো ডট বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকমের কো-অর্ডিনেটর মো. মনির হোসাইন। দিনব্যাপী তিনি শিশুদের মৌলিক সাংবাদিকতার ধারণা, সংবাদ তৈরি, তথ্য যাচাই, ভিডিও প্রতিবেদন তৈরি, সাংবাদিকতার কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যা, চ্যালেঞ্জ সমাধানসহ মাঠে গিয়ে কিভাবে কাজ করতে হয় প্রভৃতি বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেন।
ওই কর্মশালায় জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ১০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। শিশুরা এ ধরনের কর্মশালায় অংশগ্রহণ করতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। একই সঙ্গে তাদের পছন্দ অপছন্দের ও অধিকারের বিষয়গুলো স্বাচ্ছন্দে ব্যক্ত করে। আগামী দিনে তাদের অধিকারের বিষয়গুলো ভালোভাবে জেনে বুঝে পথ চলবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। প্রশিক্ষণ শেষে শিশু সাংবাদিকরা তাদের কন্ঠে গান গেয়ে শোনায়।




