শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের এক শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। ২৬ এপ্রিল রবিবার বিকেলে উপজেলার ধানশাইল ইউনিয়নের পূর্ব চাপাঝোড়া তালতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মো. আবুল হাসান (৪০) পূর্ব চাপাঝোড়া তালতলা গ্রামের আলহাজ্ব মো. শাহ আলমের ছোট ছেলে। তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের একজন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ে সন্তানের জনক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার দুপুরে বাড়ির পাশের জমিতে ধান কাটতে যান আবুল হাসান। ধান কাটার এক পর্যায়ে বিকেল ৩টার দিকে এলাকায় বজ্রপাতসহ ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। তবে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যার দিকে (প্রায় ৫টা পর্যন্ত) তিনি বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
এ সময় জমির পাশ দিয়ে যাওয়ার পথে এক কৃষক আবুল হাসানকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখে তার বাড়িতে খবর দেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের ভাতিজা মো. আনিস জানান, আমার চাচার বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থলে তার বুকের পশম পুড়ে যাওয়ার চিহ্ন দেখা গেছে। তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গণশিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষক ছিলেন এবং ধানশাইল ইউনিয়নের চকপাড়া গণশিক্ষা কেন্দ্রে পাঠদান করতেন।
শেরপুর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক এস এম মোহাই মোনুল ইসলাম বলেন, নিহত আবুল হাসান আমাদের গণশিক্ষা কার্যক্রমের একজন শিক্ষক ছিলেন। তিনি প্রায় ১০ বছর ধরে এই কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. আল আমিন বলেন, আবুল হাসান নামে ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।




