ads

সোমবার , ২ ডিসেম্বর ২০১৩ | ১৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ইটনায় উন্মুক্ত জলাশয়ে অবৈধভাবে চলছে মাছ নিধন

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
ডিসেম্বর ২, ২০১৩ ১:৪৯ অপরাহ্ণ

Kisgorgonjমো: জেনায়েত হোসেন, ইটনা (কিশোরগঞ্জ) : সুবিশাল হাওর অঞ্চলের ইটনা উপজেলার এলংজুরী ইউনিয়নের কাতিয়ারকোনা খালটি উন্মুক্ত জলাশয়। মিঠামন উপজেলার আতপাশা গ্রামের একটি প্রভাবশালী মহল শক্তির দাপটে পাঠিবাধসহ বাশেঁর ভেড়ী বাধ দিয়ে সরকার নিষিদ্ধ ভীমজ্বাল পেতে মাছ নিধন করে অধিক মুনাফা অর্জন করে আসছে। এর প্রতিবাদ করার মত যেন কেউ নেই। হাওর অঞ্চলের ছিলনী, নুরপুর, কাকটেঙ্গুর, আতপাশা ও মামুদপুর গ্রামগুলোর মধ্যে বউ বাটলাই নদীর সঙ্গে সংযুক্ত উন্মুক্ত জলাশয় ওই কাতিয়ারকোনা খাল। মাছ নিধনের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ওই গ্রামের হতদরিদ্র মানুষ। এ বিষয়ে ছিলনী নুরপুর গ্রামের মো: শাহিন মিয়া বাদী হয়ে ইটনা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
জানা যায়, মিঠামন উপজেলার ঢাকী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল রউফ ও মুজিবুর রহমান গং গণ ইটনা উপজেলার সীমানার ভিতরে প্রবেশ করে ছিলনী কাকটেঙ্গুর গ্রামের মাধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া উন্মুক্ত জলশয়ে চলমান নদীর স্রোতে বাশেঁর বেড়ী বাধ দিয়ে সরকার নিষিদ্ধ ভীমজ্বাল ও কারেন্ট জ্বাল দিয়ে মা মাছ ও পোনা মাছ নিধন করছে। বাশেঁর বাধের কারনে নদীর তীরের জমির মাটি সরে গিয়ে বিরাট গর্তের সৃষ্টি করে জমির মাটি নদীর গর্ভে বিলীন  হয়ে যাচ্ছে। এতে হাওরে মৎস সম্পদ ক্ষতিগ্রস্থ  ও নৌযান চলাচলের বিঘœ হচ্ছে।
শান্তিপুর ও মামুদপুরের দুলাল মিয়া (৪৫) ও কাশেম আলী (৫৫) মিঠামন উপজেলার ঢাকী ইউনিয়নের সাবেক চেয়াম্যান আব্দুল রউফ ও মুজিবুর রহমান গং গণ কাতিয়ারকোনা খালের মাঝে বাধ দিয়ে মাছ ধরার কথা জানান। এছাড়া বাধ রক্ষণাবেক্ষণ দায়িত্বরত পাহারাদার সুলতান মিয়া (২২) ওই বাধে ৫ দিন ধরে নিয়োজিত বলে জানান। ছিলনী গ্রামের খোকন (৩৫), সাদেক (২৫) তোফাজ্জল (২২) এ প্রতিনিধিকে বলেন চলমান নদীতে গত দুই সপ্তাহ ধরে ঢাকীর আব্দুল রঊফ ও মুজিবুর রহমান গং গণ মাছ ধরছে বলে জানান। এতে প্রতি দিন যে পরিমান মা মাছ  ও পোনা মাছ ধরা হচ্ছে এ অবস্থা চলতে থাকলে হাওরে মাছ শূন্য হয়ে যাবে। কারণ এ নদীটি পূর্বে আজমীরিগঞ্জ উপজেলার হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলার নদী ও পশ্চিমে ধনু নদী সংযুক্ত রয়েছে। এ ব্যাপারে ইটনা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: রাশেদুল হকের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান যে, বিষয়টি আমি অবগত হয়ে এলংজুরী ইউনিয়নের তহশিলদারকে নিয়ে ঘটনার স্থল পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!